Advertisement
E-Paper

ধৃত তিন ছাত্রের জামিন

ধারা নিয়ে ‘বিভ্রান্তি’। আর তার জেরেই সহপাঠীকে ইভটিজিং এবং মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে কু-প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে ধৃত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তিন ছাত্রের জামিন হয়ে গেল। এমনটাই দাবি বাঁকুড়া সিজেএম আদালতের সরকারি আইনজীবী শান্তনু মণ্ডলের।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০১৬ ০১:২৭

ধারা নিয়ে ‘বিভ্রান্তি’। আর তার জেরেই সহপাঠীকে ইভটিজিং এবং মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে কু-প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে ধৃত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তিন ছাত্রের জামিন হয়ে গেল। এমনটাই দাবি বাঁকুড়া সিজেএম আদালতের সরকারি আইনজীবী শান্তনু মণ্ডলের।

বুধবার সহপাঠী ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করা এবং হোয়াটস অ্যাপে কু-প্রস্তাব পাঠানোর অভিযোগে বাঁকুড়া পোয়াবাগানের একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তিন ছাত্রকে গ্রেফতার করেছিল বাঁকুড়া মহিলা থানার পুলিশ। মেকানিক্যাল বিভাগের তৃতী য়বর্ষের ওই ছাত্রীকে ধৃত ছাত্রেরা কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্ত্যক্ত করছিল বলে অভিযোগ। পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছিল, ধৃতদের বিরুদ্ধে রুজু করা মামলায় জামিন অযোগ্য ৩৫৪ ডি ধারা (মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে অশ্লীল বার্তা পাঠানো) যোগ করা হয়েছে। বাঁকুড়া আদালতের আইনজীবীদের একটা বড় অংশও জানান, ধারাটি জামিন অযোগ্য। কিন্তু তার পরেও ধৃতেরা আদালত থেকে জামিন পেয়ে যাওয়াতে প্রশ্ন তোলেন অনেকে।

সরকারি আইনজীবী শান্তনুবাবু বলেন,“অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য কোনও ধারাই দেয়নি পুলিশ। যে ধারাটি জামিন অযোগ্য বলা হচ্ছে, সেই ৩৫৪ ডি ধারার দু’টি দফা রয়েছে। প্রথম দফাটি জামিন যোগ্য।” অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী সায়ন্তন চৌধুরী বলেন, “অভিযোগে লেখা রয়েছে, মোবাইল থেকে হোয়াটস-অ্যাপের মাধ্যমে কু-প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। কিন্তু যে মোবাইল থেকে ওই কাজ করা হয়েছে পুলিশ সেটিই বাজেয়াপ্ত করতে পারেনি।” জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরেই বাঁকুড়া মহিলা থানা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছিল। তার পরেও কোথাও খামতি থেকে গিয়েছে কী না তা খতিয়ে দেখা হবে।”

তবে, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের এই ঘটনাটিতে অভিযোগকারী ছাত্রীর পাশে যে ভাবে কলেজ কর্তৃপক্ষ এসে দাঁড়িয়েছে তা নজর কেড়েছে অনেকের। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত তিন ছাত্রকে সাসপেন্ড করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। এ দিন আদালতে গোপন জবানবন্দি দেন ওই ছাত্রী। যদিও এ দিন অভিযুক্তদের জামিন প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।

আদালতে জামিন পেয়ে গেলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ এখনই ওই ছাত্রদের সাসপেনশনের নির্দেশ প্রত্যাহার করছে না। কলেজের অধ্যক্ষ কৃষ্ণেন্দু অধূর্য বলেন, “অভিযুক্ত ছাত্রদের সাসপেনশন তোলা নিয়ে আমরা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেব। অভিযোগকারী ছাত্রীর মতামতও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy