রাতে বাড়ি থেকে বার হয়েছিলেন। আর ফেরেননি। সকালে স্থানীয় পুকুরের ধারে সেই বৃদ্ধার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পুরুলিয়ার ডিমডিহা গ্রামে। পরিবারের অনুমান, ওই বৃদ্ধাকে কেউ বা কারা, রাতের অন্ধকারে খুন করেছে। তবে পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার সকালে ডিমডিহা গ্রামের বাসিন্দারা দেখতে পান পুকুরের ধারে ওই বৃদ্ধার দেহ পড়ে রয়েছে। চারপাশে রক্ত ছড়িয়ে। তাঁর সারা গায়েও রক্তের দাগ। দেহে বস্ত্র ছিল না। ঘটনা নজরে আসতেই পুলিশ খবর দেন গ্রামবাসীরা। পুলিশ এসে ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে। দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রবিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান ডিএসপি (শৃঙ্খলা ও প্রশিক্ষণ) সৈকত স্বর্ণকার এবং পুরুলিয়া মফস্সল থানার আইসি বিভাস রায়। নমুনা সংগ্রহের জন্য খবর দেওয়া হয়েছে ফরেনসিক দলকে। ওই বৃদ্ধার সঙ্গে শারীরিক নিগ্রহের কোনও ঘটনা ঘটেছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’’
আরও পড়ুন:
যদিও পরিবার খুনের অভিযোগ তুলেছে। বিবাহ বিচ্ছেদের পর ওই বৃদ্ধা বাপের বাড়িতেই থাকতেন। মৃতার ভাই বলেন, ‘‘দিদির সামান্য মানসিক সমস্যা ছিল। রাতে পুকুর ধারে তাঁকে দেখে ডাকতে যাই। কিন্তু আসেনি। ভেবেছিলাম রাতে ফিরে আসবে। সকালে দেখি এই ঘটনা। দিদিকে খুন করা হয়েছে।’’