নিকাশি নালায় ত্রুটির কারণে রাস্তায় জল দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। জমা জল নামতে বহু সময় লাগছে। তার জেরে স্যাঁতসেতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করতে হচ্ছে— এই অভিযোগে রামপুরহাট ২ ব্লকের বিডিও-র কাছে অভিযোগ জানালেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। মাড়গ্রাম ১ অঞ্চল কংগ্রেস নেতৃত্বের ওই কর্মসূচিতে সামিল হলেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। বিডিও র কাছে তাঁরা বেহাল রাস্তাগুলির তালিকা জমাও দিয়েছেন।
রামপুরহাট ২ ব্লকের বিডিও শাশ্বত দাশগুপ্ত সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের প্রধান এবং পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, লতিপাড়া, বাগানপাড়া, মুন্সিপাড়া, দর্জিপাড়া, শারপুকুর পাড় এলাকার রাস্তাগুলি দিয়ে এই বর্ষায় চলাফেরা করা যাচ্ছে না। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা লতিপাড়া এলাকায়। বেহাল রাস্তার পাশাপাশি নিকাশি ব্যবস্থায় ত্রুটির কারণে এলাকার দশ বারোটি পরিবার যাঁরা মাটির ঘরে বসবাস করছেন, সেই ঘরগুলি স্যাঁতসেতে হয়ে গিয়েছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে যে কোনও দিন ছড়াতে পারে রোগবালাই। এমন অভিযোগের সঙ্গে সহমত কংগ্রেসের মাড়গ্রাম ১ অঞ্চলের সভাপতি নুর মহম্মদও।
মাড়গ্রাম ২ অঞ্চলের বাসিন্দা সৈয়দ আবু আতাহার বলেন, ‘‘পঞ্চায়েতের প্রধানদের রাস্তা সংস্কারের কথা জানানো হয়েছিল। তাঁরা বিধায়ককে অভিযোগ জানাতে বলছেন।’’ বিধায়ক মিল্টন রশিদ এলাকার সমস্যার মেনেছেন। তিনি বিডিও-র সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে উদ্যোগী হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। রাস্তা বেহালের প্রশ্ন নিয়ে মাড়গ্রাম ১ অঞ্চলের পঞ্চায়েত প্রধান সুজাউদ্দিনকে ফোন করা হলে তিনি সদুত্তর দিতে চাননি।
রামপুরহাট ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দৌলতুন্নেসা নুরি রাস্তার বেহাল অবস্থার কথা মানতে চাননি। তাঁর জবাব, ‘‘কই মানুষ চলাফেরা করতে পারছেন না, এ রকম অবস্থা কোথাও হয়ে আছে বলে জানা নেই। তবে হ্যাঁ, যেখানে যেখানে রাস্তা একটু খারাপ আছে কিংবা জল জমছে সেখানে পাথর গুঁড়ো ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’’ নীচু এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতি ভবিষ্যতে নানা পরিকল্পনা আছে বলে দাবি করেছেন তিনি। সেটা কী, সে ব্যাপারে কিছু বলতে চাননি।
শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ সিউড়ির লম্বোদরপুর গ্রামের পাম্প হাউস থেকে এই অসুস্থ ময়াল সাপটিকে উদ্ধার করেন শিক্ষক দীনবন্ধু বিশ্বাস।
পরে চিকিৎসার জন্য সাপটিকে নিয়ে যান সিউড়ির পশু হাসপাতালে। সুস্থ হলে সাপটিকে বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সিউড়ি পশু হাসপাতালে তোলা নিজস্ব চিত্র।