E-Paper

পোর্টালে ত্রুটি, সমস্যায় উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্রছাত্রীরা

জেলার বিভিন্ন স্কুল-কর্তৃপক্ষের একাংশের প্রশ্ন, পোর্টালের উপরেই শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের নির্ভর করতে হয়। সেখানে এমন প্রযুক্তিগত সমস্যা থাকবে কেন?

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ০১:২৩
মহম্মদবাজারের ডামরা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা পোর্টালে ছাত্র-ছাত্রীদের নাম রেজিস্ট্রেশন চলছে।

মহম্মদবাজারের ডামরা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা পোর্টালে ছাত্র-ছাত্রীদের নাম রেজিস্ট্রেশন চলছে। — নিজস্ব চিত্র।

পড়ুয়ার নামের বানান, বয়স বা অন্য কোনও ত্রুটি শুধরে নেওয়া যাচ্ছে না বাংলার শিক্ষার পোর্টালে। অভিযোগ, প্রযুক্তিগত এ সমস্যার জেরে নির্ধারিত সময় ৩০ জুনের মধ্যে পড়ুয়াদের একাংশের রেজিস্ট্রেশন করানো যায়নি। জেলার প্রতিটি উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলই এ সমস্যায় পড়েছে বলে অভিযোগ। সে পরিস্থিতি সামাল দিতেই নতুন করে রেজিস্ট্রেশনের সময় দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

জেলার বিভিন্ন স্কুল-কর্তৃপক্ষের একাংশের প্রশ্ন, পোর্টালের উপরেই শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের নির্ভর করতে হয়। সেখানে এমন প্রযুক্তিগত সমস্যা থাকবে কেন? ১৩ জুলাই থেকে নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন। সমস্যা বহাল থাকলে ফের বিপদে পড়তে হবে। কারণ, ভুল হলে পড়ুয়া পিছু ১,০০০ টাকা জরিমানা দিতে হয় স্কুলকে।

১৬ জুন থেকে ৩০ জুন একাদশে রেজিস্ট্রেশনের জন্য নির্দিষ্ট ছিল। জেলার উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলগুলি সূত্রে খবর, কিছু ছাত্রছাত্রীর রেজিস্ট্রেশন করা যায়নি। কারণ, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক, মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক যাওয়ার সময়ে কোনও কোনও ছাত্রছাত্রীকে একাধিক স্কুল পরিবর্তন করতে হয়েছে। এ সব ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে নামের বানান, বয়স, অভিভাবকের তথ্য ভুল এন্ট্রি করা হয়েছিল। সেটাই বাংলার শিক্ষা পোর্টালে দেখাচ্ছিল। মাধ্যমিকের অ্যাডমিট বা রেজাল্টে হয়তো ভুল শুধরে নেওয়া হয়েছে, কিন্তু বাংলার শিক্ষার পোর্টালে কোনও এডিট অপশন না থাকায় বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রীর রেজিস্ট্রেশন করা যায়নি।

সমস্যা বুঝেই সম্প্রতি সংসদ সভাপতির তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে জানান হয়েছে, পোর্টাল সম্পূর্ণ সচল হতে আরও ১৫ দিন লাগতে পারে। রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ৪ থেকে ১৩ অগস্ট অনলাইনের পোর্টালটি আরও একবার খোলা হবে বলেও জানান হয়েছে। সেখানে কোনও জরিমানা ছাড়াই পড়ুয়ারা রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। তবে এ সময়ের পরে করলে জরিমানা লাগবে জানিয়েছে সংসদ। তবে সূত্রের খবর, কোনও কোনও স্কুলে ৮০- ১০০ জনের রেজিস্ট্রেশন হয়নি। এক বারে যে কাজ করা যেত সেটা করতে আরও দেড় মাস অপেক্ষা করতে হবে। এতে ছাত্রছাত্রীদের মানসিক চাপ বাড়বে বলেও আশঙ্কা শিক্ষক ও অভিভাবকদের।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Students HS Students

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy