Advertisement
E-Paper

ইদের উপহার দিতে গিয়ে প্রেমিকার স্বামীর মুখোমুখি ফেসবুকের প্রেমিক, নাক গলিয়ে ‘মারধর করল তৃণমূল’!

অভিযুক্ত যুবকের দাবি, অনেক দিন আগে যুবতীর সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় তাঁর। দু’জনে ফোন নম্বর চালাচালি করেন। ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। ইদে প্রেমিকাকে ‘সারপ্রাইজ’ দিতে তাঁর ঠিকানা জোগাড় করেছিলেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ২০:০৫

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

হাতে জামা-কাপড়ের প্যাকেট। প্রেমিকার বাড়ির দরজায় টোকা দেওয়ার পরেও কেউ না বার হওয়ায় সোজা বাড়িতে ঢুকে পড়েছিলেন যুবক। তার পরেই পড়লেন ফ্যাসাদে।

প্রেমিকার বাড়ির লোকজনের ‘কী চাই’ প্রশ্নে আমতা আমতা করেও যুতসই জবাব দিতে পারেননি প্রেমিক। খবর পেয়ে বাড়িতে দৌড়ে এলেন প্রেমিকার স্বামী। প্রেমিকাকে ইদের চমক দিতে গিয়ে চমকে গেলেন ফেসবুকের প্রেমিক। অশান্তি অন্য মাত্রায় পৌঁছোল ‘রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে’। জল গড়াল থানা-পুলিশে। ঘটনাস্থল বীরভূমের রামপুরহাট পুরসভা এলাকা।

ঘটনার সূত্রপাত বুধবার দুপুরে। সলমন শেখের (নাম পরিবর্তিত) অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। ফেসবুকে পরিচয় হওয়া সেই যুবক হঠাৎ তাঁর বাড়িতে উপস্থিত হন। সলমনের কথায়, ‘‘হাতে জামাকাপড়ের প্যাকেট। প্রশ্ন করতে বলল, ইদের উপহার দিতে এসেছি। কাকে কেন উপহার দেবে প্রশ্ন করায় জবাব দিতে পারেনি। আমি স্ত্রীকে প্রশ্ন করি। সকলে চুপ। ফোন করি শ্বশুরকে।’’

ওই যুবকের দাবি, এ নিয়ে তাঁদের পারিবারিক তরজার মধ্যে হঠাৎ তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীর কয়েক জন অনুগামী তাঁদের বাড়িতে উপস্থিত হন। পারিবারিক কলহে তাঁরা ঢুকে পড়ে মারধর শুরু করেন বাড়ির লোকজনকে।

অন্য দিকে, অভিযুক্ত যুবকের দাবি, অনেক দিন আগে যুবতীর সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় তাঁর। দু’জনে ফোননম্বর চালাচালি করেন। ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। ইদে প্রেমিকাকে ‘সারপ্রাইজ’ দিতে তাঁর ঠিকানা জোগাড় করেছিলেন। তাঁর কথায়, ‘‘প্রেমিকাই উপহারের আবদার করেছিল। তাই দুপুরে তিনি উপহার নিয়ে ওর বাড়িতে এসেছিলাম।’’ ওই যুবকের দাবি, ডাকাডাকি করে কাউকে না পেয়ে তিনি ঘরে ঢুকে যান। তার পরেই গন্ডগোলের শুরু।

এর মধ্যে তৃণমূলের লোকজনের নাক গলানো নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সলমন (নাম পরিবর্তিত) এবং তাঁর পরিবারের লোকজন। সলমনের কথায়, ‘‘১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের স্বামীর কয়েক জন অনুগামী তৃণমূল কর্মী এসে আমার দাদা-বৌদির গায়ে হাত তুলেছে। ওরা কেন এল? আমি থানায় অভিযোগ জানাচ্ছি।’’

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে থানায় নিয়ে যায়। পাশাপাশি তাঁর ‘প্রেমিকা’র পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেছে তারা। দুই তরফের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পারিবারিক গোলমালে অযাচিত ভাবে দলীয় কর্মীদের ‘হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ প্রসঙ্গে স্থানীয় কাউন্সিলর বলেন, “এটা সম্পূর্ণ পারিবারিক বিষয়। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।’’ তিনি তৃণমূলের কারও জড়িত থাকার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন। কাউন্সিলরের কথায়, ‘‘আমার কোনও অনুগামী ওঁদের বাড়িতে যাননি। আর আমার নামে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’’

Rampurhat eid Gift lover Extra Marital Affair
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy