তৃণমূল নেতাকে রাস্তায় ফেলে পেটানোর অভিযোগ উঠল হুগলির খানাকুলে। জখন অবস্থায় উদ্ধার করে হয়েছে দীপেন মাইতি নামে ওই নেতাকে। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় তোলাবাজি, ভয় দেখানো, হুমকি দেওয়ার মতো অজস্র অভিযোগে অভিযুক্ত তিনি। ক্ষমতার দম্ভে যা খুশি তাই করতেন। বিজেপি বলছে, স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষ।
খানাকুলের কিশোরপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান দীপেন। তার আগে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ছিলেন তিনি। তাঁকে রাস্তায় ফেলে মারধরের একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)। সেখানকার বাসিন্দারা বলছেন, গত ১৫ বছর ধরে এলাকায় রাজনৈতিক সন্ত্রাস, অত্যাচার, হুমকি থেকে টাকা তোলা— নানা অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, কিছু মানুষ ওই তৃণমূল নেতার উদ্দেশে বলছেন, মাঝরাতে তাঁদের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করেছেন, অনেক শাসিয়েছেন। কারও কারও অভিযোগ, আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে হুমকি দিতেন ওই নেতা।
উত্তেজিত জনতার হাত থেকে তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাধা পায় পুলিশ। তাদের সামনেই মারধর করা হয় নেতাকে। নিজের এলাকায় এলোপাথাড়ি মারে জখম দীপেনকে পরে উদ্ধার করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায় পুলিশ। দীপেন খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আরও পড়ুন:
এই ঘটনায় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ‘‘এতদিন মানুষের উপর অত্যাচার চালিয়েছে। ভয় দেখিয়েছে। মানুষ এখন ভয়মুক্ত হয়ে এই কাজ করেছে। তবে আমরা চাই, আইনি পথে সমাধান। ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অতীতে যে যে মামলা রয়েছে, সেগুলোর প্রকৃত তদন্ত হোক।’’