Advertisement
E-Paper

হাজিরা নিয়ে ক্ষোভ, পরীক্ষার মধ্যেই আন্দোলন টিএমসিপি-র

পড়ুয়াদের হাজিরা বাড়াতে কলেজ কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় পরীক্ষার সময় ছাত্রছাত্রীদের ফাইন করার। কলেজ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তৃতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলাকালীন কলেজ চত্ত্বরে পোস্টারিং করল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমর্থকদের একাংশ। ময়ূরেশ্বর থানার মল্লারপুর টুরকু হাঁসদা লপসা হেমব্রম কলেজের ঘটনা। পোস্টারে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উল্লেখ না থাকলেও মঙ্গলবার দুপুরে তৃণমূল ছাত্রপরিষদের সমর্থকরা এবং ব্লক নেতৃত্ব কলেজের অধ্যক্ষকে ঘেরাওয়ের পরিকল্পনা করে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০১৫ ০০:৩৫
কলেজে আন্দোলনকারীদের পোস্টার।—নিজস্ব চিত্র।

কলেজে আন্দোলনকারীদের পোস্টার।—নিজস্ব চিত্র।

পড়ুয়াদের হাজিরা বাড়াতে কলেজ কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় পরীক্ষার সময় ছাত্রছাত্রীদের ফাইন করার। কলেজ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তৃতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলাকালীন কলেজ চত্ত্বরে পোস্টারিং করল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমর্থকদের একাংশ। ময়ূরেশ্বর থানার মল্লারপুর টুরকু হাঁসদা লপসা হেমব্রম কলেজের ঘটনা। পোস্টারে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উল্লেখ না থাকলেও মঙ্গলবার দুপুরে তৃণমূল ছাত্রপরিষদের সমর্থকরা এবং ব্লক নেতৃত্ব কলেজের অধ্যক্ষকে ঘেরাওয়ের পরিকল্পনা করে। তাঁদের দাবি, তৃতীয়বর্ষের পরীক্ষার সময়সূচী তাঁদের জানা ছিল না। সেই জন্য পরীক্ষা শেষে আন্দোলন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান টিএমসিপি-র ময়ূরেশ্বর ১ ব্লকের সভাপতি অভিজিৎ মণ্ডল।

অভিজিতের অভিযোগ, ‘‘কলেজ কর্তৃপক্ষ সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের কথা না ভেবে আচমকা সিদ্ধান্ত নিয়ে ৭৫ শতাংশ যাদের হাজিরা নাই সেই সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে ফাইন আদায় করছে। এবং ফাইনের নামে ডোনেশন কথা লেখা হচ্ছে। কলেজের ছাত্রছাত্রীদের জন্য হাজিরা খাতা নাই অথচ কি করে কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের গরহাজিরার তালিকা করে ফাইন করছে। তারই প্রতিবাদে ছাত্র ছাত্রীদের স্বার্থে আন্দোলন চলছে। তবে এ দিন পরীক্ষার সময়সূচী আমাদের জানা ছিল না। সেইজন্য অধ্যক্ষর কাছে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিয়েও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।’’

এদিকে কলেজ চত্ত্বরে পরীক্ষা চলাকালীন আন্দোলনের তীব্র সমালোচনা করেছেন অধ্যক্ষ অমিত চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘‘পরীক্ষা যখন চলে তখন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বে চলে যায়। সেই জন্য পরীক্ষা চলাকালীন আন্দোলন করা বেআইনী। একজন বহিরাগত কলেজে আন্দোলন করবে এটা মেনে নেওয়া যায় না।’’ ৭৫ শতাংশ হাজিরা প্রসঙ্গে তাঁর দাবি, ‘‘এটা কোনও নতুন সিদ্ধান্ত নয়। কলেজের ভর্তির জন্য প্রসপেক্টাসে ৭৫ শতাংশ হাজিরা থাকার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে বেশির ভাগ পড়ুয়ার হাজিরা মাত্র ৫১ শতাংশ। কলেজের মোট ১০৬৪ জন পড়ুয়াদের মধ্যে মাত্র ৬৫ জনের হাজিরা ৭৫ শতাংশ। অথচ পড়ুয়াদের হাজিরা খারাপ থাকার জন্য ‘নাক’-এর কাছে কলেজের মান খারাপ হয়ে যাচ্ছে।’’

কলেজের পরিচালন সমিতির সদস্য তৃণমূল নেতা জয়শঙ্কর সিংহ বলেন, ‘‘ছাত্রছাত্রীদের কলেজমুখী করার জন্য কলেজের শিক্ষক সংসদ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা কলেজের পরিচালন সমিতির সম্মতি আছে। তাই সে সমস্ত ছাত্র ছাত্রী আন্দোলন করছে তারা ঠিক করছে না।’’

মল্লারপুর কলেজের এসএফআই নেতা গোলাম নবি রাজা বলেন, ‘‘কলেজের উন্নয়নের স্বার্থে কলেজ কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা মেনে চলতে হবে ঠিকই। তেমনি সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের কথাও কলেজ কর্তৃপক্ষকে ভাবতে হবে। তবে এ ব্যপারে অধ্যক্ষর সঙ্গে আলোচনা করব।’’

mallarpur college tmcp protest movement mallarpur college students attendance
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy