তারাপীঠ এলাকার দু’টি খাবারের দোকান থেকে সাত শিশু শ্রমিককে উদ্ধার করল শ্রম দফতর। শো-কজ করা হয়েছে অভিযুক্ত দুই দোকানদারকে।
মঙ্গলবার তারাপীঠে বিভিন্ন লজ ও খাবারের দোকানে শিশু শ্রমিকদের উদ্ধার অভিযান চালায় দফতর। সেই অভিযানে দফতরের রামপুরহাট মহকুমা শাখার আধিকারিক, কর্মীদের পাশাপাশি যোগ দেন এসডিও উমাশঙ্কর এস-ও। অভিযান শেষে শ্রম দফতরের মহকুমা সহকারী কমিশনার নিরুপম মণ্ডল বলেন, ‘‘এ দিন উদ্ধার হওয়া সাত শিশু শ্রমিকের বয়স ৮-১৪ বছরের মধ্যে। এক জন নদিয়ার পলাশি এবং এক জন রামপুরহাটের নিশ্চিন্তপুর এলাকার বাসিন্দা। বাকিদের বাড়ি তারাপীঠ এবং লাগোয়া খরুণ ও বুধিগ্রাম এলাকায়।’’ তিনি আরও জানান, ওই শিশু শ্রমিকদের পাশাপাশি এ দিন ১৪ বছরেরও কম বয়সী এক বালক ভিক্ষুককেও উদ্ধার করা হয়েছে। সকলকেই রামপুরহাটের একটি স্বেছাসেবী সংস্থার মাধ্যমে আগামী বৃহস্পতিবার জেলা শিশু কল্যাণ দফতরে পাঠানো হবে। আগামী ওই দিন অভিযুক্ত দোকানদারদের সেখানে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। তার পরেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দফতর সূত্রের খবর।
অন্য দিকে, এ দিনই তারাপীঠ এলাকা পরিদর্শন করে প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক উদ্ধার করেন এসডিও। তিনি বলেন, ‘‘তারাপীঠ এলাকায় প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে এর আগেও দু’বার প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক উদ্ধার করা হয়। সেগুলি মাঠের দিকে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ দিনও উদ্ধার হওয়া প্লাস্টিক পুড়িয়ে দেওয়া হয়।’’ যদিও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মেনে প্লাস্টিকগুলিকে নষ্ট করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এ ভাবে প্লাস্টিক পোড়ালে এলাকায় দূষণ বাড়ে।