Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৮ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার

স্কুল শেষের আগেই সভা করার অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা
বোলপুর ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৬:১৮
স্কুল খোলা। বোলপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তখন চলছে তৃণমূলের সভা। শনিবার। ছবি: বিশ্বজিৎ রায়চৌধুরী ।

স্কুল খোলা। বোলপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তখন চলছে তৃণমূলের সভা। শনিবার। ছবি: বিশ্বজিৎ রায়চৌধুরী ।

স্কুল চলাকালীনই বক্স বাজিয়ে সভা করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে বোলপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। এই সভার পরে পরেই বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে শাসকদলকে।

দীর্ঘ প্রায় এগারো মাস পরে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে স্কুল খুলেছে। শুরু হয়েছে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পঠনপাঠন। বোলপুর উচ্চ বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে রাজনৈতিক সভা করার অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিছু শর্তসাপেক্ষে স্কুল সেই সভা করার অনুমতি দেয় শাসক দলকে। শর্তে বলা হয়, স্কুলের নির্ধারিত সময়ের পরে অর্থাৎ ছুটির পরে ওই সভা করা যেতে পারে। শনিবার সেই শর্ত না মেনে স্কুল ছুটির নির্ধারিত সময়ের আধ ঘণ্টা আগেই সভার কাজ শুরু করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ স্কুল কর্তৃপক্ষের। যার জেরে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয় নবম থেকে দ্বাদশের পড়ুয়াদের। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুপ্রিয় সাধু বলেন, ‘‘ওই রাজনৈতিক দলকে শর্তসাপেক্ষে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই শর্ত কিছুটা হলেও লঙ্ঘিত হয়েছে বলে আমরা দেখতে পেলাম। তাতে পড়ুয়াদেরও কিছুটা অসুবিধা হয়েছে।’’

এই নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই আদর্শ নির্বাচন বিধি চালু হয়ে গিয়েছে। তাই আমার মনে হয়, স্কুল চলাকালীন আইনবিরুদ্ধ ভাবে কোনও রাজনৈতিক দলের সভা করা যায় না। আমরা এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করব।’’ অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘স্কুল ছুটির পরেই সভার কাজ শুরু করা হয়েছে।’’

Advertisement

জেলার গ্রামীণ চিকিৎসকদের নিয়ে এ দিন ওই স্কুলে সম্মেলনের আয়োজন করেছিল তৃণমূল। সেই সভা থেকে বিজেপিকে ছড়া কেটে আক্রমণ করেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। পশ্চিমবঙ্গের ৮ দফা নির্বাচন নিয়েও সরব হন। তিনি বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী তুমি ভাবলে আমাদের জব্দ করবে। তাই পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফা ভোট করাচ্ছো। আবারও বলে রাখছি, ২২০-২৩০টি আসন পাবে তৃণমূল।’’ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অনুব্রত বলেন, ‘‘৮ দফায় ভোট হোক বা ২৯৪ দফায়, তাতে কিছু যায় আসে না। তবে, ৮ দফা নির্বাচনের ফলে ভোটকর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান—সকলেরই এই গরমে কষ্ট হবে।’’

আরও পড়ুন

Advertisement