Advertisement
E-Paper

অস্বাভাবিক মৃত্যু হল ভাগচাষির

অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে এক ভাগচাষির। শ্রীকান্ত মালিক (৫০) নামে ওই চাষি রায়নার নাদাল গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পরিবারের দাবি, ধানের ফলন ভাল হয়নি এ বার। মহাজনের ঋণ শোধ করতে না পারার আশঙ্কাতেই আত্মঘাতী হয়েছেন শ্রীকান্তবাবু।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ মে ২০১৬ ০১:৩১

অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে এক ভাগচাষির। শ্রীকান্ত মালিক (৫০) নামে ওই চাষি রায়নার নাদাল গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পরিবারের দাবি, ধানের ফলন ভাল হয়নি এ বার। মহাজনের ঋণ শোধ করতে না পারার আশঙ্কাতেই আত্মঘাতী হয়েছেন শ্রীকান্তবাবু। যদিও পুলিশের দাবি, পারিবারিক অশান্তির জেরেই কীটনাশক খান ওই চাষি।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার নিজের বাড়িতেই কীটনাশক খান শ্রীকান্তবাবু। রাতেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানোহয় তাঁকে। সেখানেই মারা যান তিনি। বুধবার বর্ধমান মেডিক্যালের মর্গে দাঁড়িয়ে মৃত চাষির মেয়ে সরমা দাস জানান, এ বার তিন বিঘে জমিতে বোরো চাষ করেছিলেন শ্রীকান্তবাবু। সার, কীটনাশক, জলের খরচ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা খরচ হয়। তার মধ্যে ২৫ হাজার টাকা মহাজনের কাছে ধার নিয়েছিলেন তিনি। লাভ না হওয়ার আশঙ্কাতেই বাবা আত্মঘাতী হয়েছেন বলেও সুরমার দাবি। এলাকার বাসিন্দা কিশোর মালিক, সুবোধ দাসেদেরও দাবি, বৃষ্টি না হওয়ার জন্য এ বার ধানের ভাল ফলন হয়নি। ফলে লোকসানের আশঙ্কা করছেন অনেকেই। তার উপর ঋণের টাকা ফেরত দেওয়ারও তাগাদা ছিল। মানসিক হতাশাতেই আত্মহত্যা করেছেন তিনি।

জেলা কৃষক সভার সম্পাদক আব্দার রজ্জাক মণ্ডলও জানান, এ বার বোরো ধানে চাষে সেচের জল না মেলায় অনেক এলাকাতেই চাষে ফলন কম হয়েছে। লোকসানে পড়েছেন চাষিরা। শুধু তাই নয় সার, কিটনাশক-সহ চাষের উপকরনগুলি থেকে সরকার ভর্তুকি তুলে দেওয়ায় বিপদে পড়েছেন তাঁরা। তা ছাড়া ফসলের দাম না পাওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। সবমিলিয়ে চাষি আত্মঘাতী হতে বাধ্য হচ্ছেন বলেও তাঁর দাবি। রায়না থানার পুলিশ জানিয়েছে, শ্রীকান্ত মালিক নামে এক ব্যক্তি পারিবারিক অশান্তির কারণে কীটনাশক পান করে আত্মঘাতী হয়েছে। রায়নার বিডিও অর্ণব রায় জানান, শ্রীকান্তবাবুর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

খুনের চেষ্টা। দলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলল তৃণমূল। কালনা ১ ব্লক তৃণমূলের অভিযোগ, মঙ্গলবার গভীর রাতে কালনা ১ ব্লকের বাঘনাপাড়া অঞ্চলের দলীয় সভাপতি সমীর মণ্ডলের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করে সিপিএমের এক দল দুষ্কৃতী। গুলি করারও চেষ্টা হয় বলেও তাঁদের দাবি। তবে সমীরবাবুর দিদি ঘটনাটি দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করায় পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। যাওয়ার আগে মোটরবাইকটি তারা ফেলে যায়। তৃণমূল নেতা উমাশঙ্কর সিংহরায়ের অভিযোগ, ওই এলাকায় সমীরবাবুর নেতৃত্বে তৃণমূলের ফল ভাল হবে। সেই আক্রোশেই সিপিএমের দুষ্কৃতীরা এসে হামলা চালায়। অভিযোগ মানেনি সিপিএম।

Mystery Death
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy