Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

জায়ের বিরুদ্ধেই খুনের অভিযোগ দায়ের করলেন মেজিয়ার জামকুড়ি গ্রামের নিহত শিশুর মা। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বেরোনোর পর নিখোঁজ ছিল জামকুড়ি গ্রামের চার বছরের শিশু দেব দাস। বিকেলে দেবের এক দূর সম্পর্কের কাকিমার ঘর থেকে তাকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা ওই শিশুটিকে মৃত বলে জানান।

শেষ আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৪৮

মেজিয়ায় শিশু খুনে ধৃত কাকিমা

নিজস্ব সংবাদদাতা • মেজিয়া

জায়ের বিরুদ্ধেই খুনের অভিযোগ দায়ের করলেন মেজিয়ার জামকুড়ি গ্রামের নিহত শিশুর মা। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বেরোনোর পর নিখোঁজ ছিল জামকুড়ি গ্রামের চার বছরের শিশু দেব দাস। বিকেলে দেবের এক দূর সম্পর্কের কাকিমার ঘর থেকে তাকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা ওই শিশুটিকে মৃত বলে জানান। এই ঘটনার পরই দেবের ওই কাকিমা মমতা দাসকে আটক করে পুলিশ। শুক্রবার মমতার বিরুদ্ধে মেজিয়া থানায় ছেলেকে খুন করার অভিযোগ দায়ের করেন দেবের মা অপর্ণা দাস। এ দিন মমতাদেবীকে বাঁকুড়া আদালতে তোলা হলে তাঁকে তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত শিশু দেব জামকুড়ির পাশের গ্রাম পলাশিতে তার মামা বাড়িতেই বেশির ভাগ সময় থাকত। তার বাবা বিদ্যুৎ দাস পেশায় দিনমজুর। ঘটনাক চার দিন আগে সে মামাবাড়ি থেকে ফিরেছিল। ছেলেকে হারিয়ে শোকে কাতর দেবের মা অপর্ণাদেবীর অভিযোগ, “আমার ছেলেকে খেলার অছিলায় ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়ে গলা টিপে খুন করেছে ওই মহিলা। আমার ছেলে ওর কোনও ক্ষতি করেনি। তার পরেও কেন সে আমার ছেলেকে মারল জানি না। ওর চরম শাস্তি চাই।” মমতাদেবী অবশ্য এই খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, “আমার বাড়িতে খেলতে এসেছিল দেব। তারপর কী ভাবে ওর কী হয়েছে তা জানি না। আমি ওকে খুন করিনি।” পুলিশ জানিয়েছে, কী ভাবে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই জানা যাবে। মমতাদেবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে। তদন্তে নেমে শুক্রবার বিকেলে জামকুড়ি গ্রামে গিয়েও বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। যদিও কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।

আহত ২১

নিজস্ব সংবাদদাতা • সাঁইথিয়া

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিউড়ির সভা থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় আহত হলেন কনবেশি ২১ জন। শুক্রবার সাঁইথিয়ার বাগডোলা বাসস্টপের কাছে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায়। আহতদের মহম্মদবাজার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ১৬ জনকে ভর্তি করা হয়। আরও পাঁচ জনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁদের সিউড়ি জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তাঁদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। ময়ূরেশ্বরের বাসুদেবপুর এলাকা থেকে সিউড়ির সভায় তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

হুড়ায় দুর্ঘটনায় পুলিশের গাড়ি

নিজস্ব সংবাদদাতা • পুরুলিয়া

পুলিশের টহলদারি গাড়ি উল্টে আহত হলেন তিন পুলিশ কর্মী-সহ চারজন। শুক্রবার সন্ধ্যায় হুড়া থানার বাউড়িডি গ্রামের কাছে, পুরুলিয়া-বাঁকুড়া ৬০এ জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহতদের হুড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার নীলকান্ত সুধীরকুমার বলেন, “ভাগ্যক্রমে বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। ওই পুলিশকর্মীরা কেউ বড় চোট পাননি।” পুলিশ সূত্রে খবর, পুরুলিয়ার দিকে ওই গাড়িতে পুলিশকর্মীরা যাচ্ছিলেন। উল্টোদিক থেকে আসা একটি গাড়িকে পাশ কাটাতে গিয়ে পুলিশের গাড়ি রাস্তার পাশে নেমেছিল। রাস্তাটি কিছুটা উঁচু ছিল। রাস্তায় উঠতে গিয়ে গাড়িটি বেসামাল হয়ে উল্টে যায়।

ধর্মীয় অনুষ্ঠান

নিজস্ব সংবাদদাতা • বাঁকুড়া

রামকৃষ্ণ মিশনের সহযোগিতায় বিবেকানন্দ ভাবানুরাগ যুব সম্মেলন হয়ে গেল বিকনা ক্ষীরোদপ্রসাদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠে। শুক্রবার ওই অনুষ্ঠানে স্কুলের কয়েকশো ছাত্রছাত্রী যোগ দেয়।

দুর্ঘটনায় পিকআপ-ভ্যান

দ্রুতগতিতে যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেল যাত্রীবোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান। আহত হলেন দুই মহিলা-সহ জনা ১৫ যাত্রী। শুক্রবার দুপুরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে হিড়বাঁধ থানার কাটিন মোড়ের কাছে, পুরুলিয়া-বাঁকুড়া রাজ্য সড়কে। খবর পাওয়া মাত্র স্থানীয় বাসিন্দারা ও পুলিশ গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে আমঝোড় ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে পাঁচজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ১০ জন ওই ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়ার বোরো এলাকা থেকে ওই পিকআপ ভ্যানটি খাতড়া যাচ্ছিল। পিকআপ ভ্যানে খাতড়া থানা এলাকার প্রায় ২৫ জন বাসিন্দা ছিলেন। কাটিন মোড়ের কাছে পিকআপ ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায়। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের অনুমান, দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, পিকআপ ভ্যানটি আটক করা হয়েছে। চালক পলাতক। আহতদের চোট থাকলেও কারও আঘাত গুরুতর নয়।

ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু

ট্রেন থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। মৃতের নাম রাজেশ কুমার (৪৮)। জামসেদপুরের আদিত্যপুরে তাঁর বাড়ি। রেল পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার রাতে তিনি টাটা-ছাপড়া ট্রেনে আসছিলেন। পুরুলিয়া স্টেশনের কাছে ট্রেন থেকে তিনি পড়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে রেলপুলিশের কর্মীরা পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। শুক্রবার ভোরে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে তাঁর পরিবার হাসপাতালে এসেছিলেন। এ দিন তাঁরা মৃতদেহ নিয়ে যান।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy