যৌন নির্যাতনের পরে শিশুকন্যার মৃত্যুর ঘটনায় ধর্ষণ ও খুনের ধারা যুক্ত করল না পুলিশ। সোমবার সিউড়ি আদালতে হাজির করানো হলে ধৃত কাকাকে দু’দিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। সরকারি আইনজীবী রণজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘‘ওই ঘটনায় ‘প্রোটেকশন অফ চিলড্রেন ফ্রম সেক্সচুয়াল অফেন্সেস অ্যাক্ট (পক্সো)’ই যথেষ্ট। আর পরবর্তী শুনানিতেই ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪-এর (অনিচ্ছাকৃত খুন) পরিবর্তে খুনের (অর্থাৎ ৩০২) এবং প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার (২০১) ধারা যুক্ত করার আবেদন জানানোর জন্য তদন্তকারী অফিসারকে বলব।’’
এ দিকে, প্রশ্ন উঠেছে, দিল্লিতে প্রায় একই রকম নির্ভয়া-কাণ্ডের পরেই এই ধরনের ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা প্রয়োগের কথাই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে উঠে এসেছে। ওই ঘটনার পরে আইনটিতে বেশ কিছু পরিবর্তনও আনা হয়েছে। বোলপুর থানা এলাকার ওই ঘটনায় কেবল মাত্র ‘পক্সো’ (যেখানে সাজা তুলনায় কম) কেন দেওয়া হল, তার সদুত্তর মিলছে না।
প্রসঙ্গত, শুক্রবারের ওই ঘটনায় গুরুতর জখম হওয়ার পরে রবিবার ভোরেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্য হয়েছিল পাঁচ বছরের ওই শিশুকন্যার। ওই ঘটনায় রবিবার অভিযুক্ত শিশুর কাকাকে গ্রফতার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের অভিযোগ হলেও ধৃতের বিরুদ্ধে পুলিশ ‘পক্সো’ ও অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারা (৩০৪) দিয়েছিল পুলিশ। ঘটনা পুননির্মাণ করার জন্য এ দিন ধৃতের পাঁচ দিনের হেফাজত চেয়েছিল পুলিশ। বিচারক কেবল দু’দিন মঞ্জুর করেন।