হিন্দুত্ব এবং ধর্মনিরপেক্ষতার মিশেলে আজ বিজেপি-কে বার্তা দিলেন রাজ্যসভায় তৃণমূলের উপনেতা সাগরিকা ঘোষ। জিরো আওয়ারে বলতে উঠে তিনি দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসঙ্গ তুলেছেন। সাগরিকার বক্তব্য, “মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে, কাউকে ভয় দেখাতে বা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য এই মন্দির তৈরি হয়নি। বাংলা খুব সহজ এবং গভীর একটি কথা বলে- আমরা ধর্মকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করি না, আমরা ধর্মকে যাপন করি।”
বাংলার বুকে সর্বধর্ম সমন্বয়ের চিত্র তুলে ওই তৃণমূল সাংসদের বক্তব্য, “মাদার টেরিজার সমাধি,নাখোদা মসজিদ, বেলুড় মঠ, ইসকন মন্দির- সব কিছুই বাংলায় সহাবস্থান করে। আজান ও মন্দিরের ঘণ্টা, কীর্তন ও কাওয়ালি, সুফি, বৌদ্ধ,শিখ-সবাই বাংলার আধ্যাত্মিক স্পন্দনের অংশ। বাংলা শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের মাটি, যিনি শিখিয়েছেন ‘যত মত, তত পথ’। এটি শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর মাটি, যিনি আমাদের ঘাসের চেয়েও বিনয়ী এবং গাছের চেয়েও সহনশীল হতেশেখান। এই বাংলা স্বামী বিবেকানন্দের মাটি, যিনি সতর্ক করেছিলেন যে কুসংস্কারের চেয়ে ধর্মান্ধতা অনেক বেশি ভয়ঙ্কর।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)