Advertisement
E-Paper

যত উপরে উঠি ততই যেন স্বর্গের কাছে

সেই ছোটবেলা থেকে যাচ্ছেন উত্তরবঙ্গে। বেড়াতে, শুটিংয়ে। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীতে। ভূমিকম্পের ভয়েও এই টান কমেনি এতটুকু। জানালেন অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।সেই ছোটবেলা থেকে যাচ্ছেন উত্তরবঙ্গে। বেড়াতে, শুটিংয়ে। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীতে। ভূমিকম্পের ভয়েও এই টান কমেনি এতটুকু। জানালেন অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০১৬ ০২:৪৬

প্রশ্ন: পাহাড় না ডুয়ার্স, কোনটা বেশি পছন্দ?

উত্তর: নর্থবেঙ্গলে কষ্ট করেও খারাপ কিছু আমার চোখে পড়ে না। গ্রীষ্মে একটু বেশি ভিড় হয়! কিন্তু বর্ষা হোক বা শীত আমি ও-দিকে পালাতে পারলেই বাঁচি।

ডুয়ার্সের জঙ্গলে ঘেরা রাস্তায় সফরের সময়েই বেড়ানোর আসলি মজা উসুল। সামসিং, গরুমারা, মেটেলি চা-বাগান— শুটিং করতে গিয়ে চষে বেড়িয়েছি। গৌতমদার ( ঘোষ) ‘আবার অরণ্যে’-র সময়ে গরুমারা জঙ্গল ক্যাম্পে ছিলাম। আর যত উপরে উঠি, মনে হয় এটাই স্বর্গ!

দার্জিলিংয়ে এইটুকুনি বয়সে প্রথম যাওয়া দাদামশায়ের সঙ্গে। মনে আছে, ট্যুরিস্ট লজে গরম জল ঢালার পরেও বাথটবে হাত দিলে ঠান্ডার ছ্যাঁকা লাগছিল। ছোটবেলা থেকে কত বার যে গিয়েছি। তা-ও প্রতি মুহূর্তে নতুন মনে হয়। এই দুয়ের মধ্যে কোনটা ভাল, তুলনা করা আমার পক্ষে কিছুতে সম্ভব নয়। করবও না। তবু হয়তো পাহাড়ের উপরেই আমার দুর্বলতা বেশি। শেষ গিয়েছি, গত বছর ‘কাটমুণ্ডু’র সময়ে। ওই ফিল্মের ‘হোটেল সিকোয়েন্স’টা দার্জিলিংয়েই তোলা। এ ছাড়া, ক-ত টেলিফিল্ম, বাবুদার (সন্দীপ রায়) কাজ, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘কেয়ার অব স্যার’, অঞ্জন দত্তের ‘চলো লেট্‌স গো’, ‘চৌরাস্তা’! কৌশিক একবার কার্শিয়াংয়ে লাঞ্চে গলা ভাত আর আলু, পেঁপে, ঢ্যাঁড়স, কুমড়ো— যত রকম হয় সেদ্ধর ব্যবস্থা করেছিলেন। ঠান্ডায় সেদ্ধভাত খেয়ে টের পেয়েছিলাম, একেই বলে বাঙালি! তবে অঞ্জনদার সঙ্গে দার্জিলিং দেখার মেজাজটাই আলাদা। কত খোপ যে উনি চেনেন! আগের থেকে ভিড় বাড়ছে। সে তো সর্বত্রই বাড়ছে। কিন্তু তাতে উত্তরবঙ্গের সৌন্দর্য কমে যায় না। অনেক ধরনের হোটেলের বন্দোবস্তই আছে। যে যেমনটিতে থাকতে চাইবেন, পাবেন। তবে হোটেলে বসে থাকবার জন্য তো আর উত্তরবঙ্গে যাই না। ইদানীং শুধু একটাই ভয়। ভূমিকম্প!

আগের বার কাটমুণ্ডু-র শ্যুটিং সেরে আমরা ফেরার ক’দিন বাদেই ভূমিকম্প হয়েছিল। নেপালের ঝটকায় উত্তরবঙ্গেও আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। আমার চেনা কেউ কেউ বেশ কয়েক রাত বাড়িতে স্বস্তিতে শুতে পারেননি। কিন্তু ও-সব প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের উপরে তো মানুষের হাত নেই! আর বিপদের ভয় থাকলেও উত্তরবঙ্গে না-গিয়ে প্রাণে সইবে না।

(সাক্ষাৎকার: ঋজু বসু)

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy