গত ৩ জানুয়ারি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে লেখা চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআর পরিচালনায় তথ্যপ্রযুক্তি পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এ বিষয়ে সমস্যা সমাধানে তৎপর হয়েছে কমিশন। ওই পরিকাঠামোগত কার কোথায় অসুবিধা হচ্ছে তা নিয়ে জেলাশাসকদের মতামত চেয়েছে কমিশন। মঙ্গলবার দুপুর ১টা থেকে নির্বাচন কমিশনের তরফে যে ভার্চুয়াল বৈঠক করা হয়, সেই বৈঠকেই প্রত্যেক জেলায় তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত কী কী অসুবিধা হচ্ছে তা নিয়ে মতামত চান কমিশনের আধিকারিকেরা। জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে আধিকারিকেরা বলেন, “আইটি সংক্রান্ত আপনারা যা যা প্রস্তাব পাঠাবেন তা কার্যকর করে দেওয়া হবে।”
হোয়াট্সঅ্যাপের মাধ্যমে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলে গত ৩ তারিখের পাঠানো চিঠিতে অভিযোগ করেছিলেন মমতা। কেন লিখিত নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সে বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেন, “এ বার থেকে আপনাদের হোয়াট্সঅ্যাপের বদলে যতটা পারব চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে খবরাখবর দেব। যতটা সম্ভব হবে লিখিত চিঠি বা লিখিত নির্দেশিকা দেওয়া হবে।”
অন্য দিকে, ‘আনম্যাপড’ ভোটারদের পর এ বার ‘লজিকাল ডিসক্রিপন্সি’র আওতায় থাকা ভোটারদেরও নোটিস জারি করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। মঙ্গলবার থেকেই জেলাশাসকদের ওই নোটিস জারি করতে হবে।
রাজ্যে বর্তমানে ‘লজিকাল ডিসক্রিপন্সি’-এর আওতায় রয়েছেন প্রায় ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ভোটার। ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপন্সি’কে একাধিক বিভাগে ভাগ করেছে কমিশন। প্রত্যেকটি বিভাগে থাকা ভোটারদের নোটিস দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। বানান ভুল থাকার কারণে শুনানিতে আসতে হবে নাকি সেটাও জানিয়ে দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপন্সি’-এর আওতায় থাকা ভোটারদের শুনানি শুরু হবে।