কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার এসএলএসটির ‘দাগি’ শিক্ষক এবং অশিক্ষকপ্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। বস্তুত, এর আগেই আদালতের নির্দেশ মেনে ওই চাকরিপ্রার্থীদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছিল। এ বার কোন ধরনের দাগি হিসাবে চিহ্নিত হয়েছেন তাঁরা, সেটাই নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে এসএসসি।
বুধবার এসএসসি একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ওই দাগি চাকরিপ্রার্থীদের কেউ কঠোর নজরদারির পরেও ২০২৫ সালে এসএলএসটি নিয়োগের দ্বিতীয় প্রক্রিয়ায় যদি অংশগ্রহণ করে থাকেন এবং তাঁকে চিহ্নিত করা যায়, সেই মুহূর্তে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে সরানো হবে।
এর পর দাগি শিক্ষক-অশিক্ষকদের দীর্ঘ তালিকা দিয়েছে এসএসসি। তাতে চাকরিপ্রার্থীর নাম, রোল নম্বর, তিনি কোন পদে চাকরি করতেন, বাবার নাম এবং পরিশেষে লেখা হয়েছে কেন তিনি দাগি হিসাবে চিহ্নিত হয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে, কেউ কেউ প্যানেলের বাইরে থেকেও চাকরি করেছেন। কারও ওএমআর শিটের নম্বর সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে। কেউ আবার তালিকার নীচের দিকে থাকা সত্ত্বেও উপরে জায়গা পেয়েছিলেন। মূলত এই তিনটি কারণ দেখা গিয়েছে। অশিক্ষক কর্মীদের ক্ষেত্রে দাগিদের সংখ্যা ৩৫১২। দাগি শিক্ষকদের সংখ্যা এসএসসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৮০৬ জন।
আরও পড়ুন:
দাগি শিক্ষকদের নামের পাশাপাশি রোল নম্বর, তাঁরা কোন বিষয়ের শিক্ষক হিসাবে চাকরির পরীক্ষা দেন, অভিভাবকের নাম, বয়স দেওয়া হয়েছে। অশিক্ষকদের মতো দাগি শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও লেখা হয়েছে কেন তাঁরা দাগি। কারও ক্ষেত্রে লেখা হয়েছে ওএমআরের নম্বর বিভ্রাটের কথা। কারও ক্ষেত্রে কারণ দর্শানো হয়েছে প্যানেলের বাইরে থাকার পরেও চাকরি করেছেন।