E-Paper

শিক্ষক চাই, নেতাইয়ের সভায় পড়ুয়া-বিক্ষোভ

উপস্থিত ছিলেন রাজ্য তৃণমূলের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার, টিএমসিপি-র রাজ্য চেয়ারপার্সন জয়া দত্ত, বনমন্ত্রী তথা ঝাড়গ্রামের বিধায়ক বিরবাহা হাঁসদা প্রমুখ

কিংশুক গুপ্ত

শেষ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:২৬
বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের সঙ্গে সভামঞ্চ থেকে কথা বলছেন মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা। বুধবার, নেতাইয়ে।

বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের সঙ্গে সভামঞ্চ থেকে কথা বলছেন মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা। বুধবার, নেতাইয়ে। ছবি: দেবরাজ ঘোষ।

নেতাই দিবসে, বুধবার তৃণমূলের আয়োজনে স্মৃতি-তর্পণ চলছে। মঞ্চে হাজির দলের নেতা-মন্ত্রীরা। হঠাৎই সভাস্থলে স্কুল পোশাকে হাজির এক দল পড়ুয়া। হাতে প্ল্যাকার্ড— ‘শিক্ষক চাই’। গলায় ক্ষোভ, ‘‘পনেরো বছর ধরে শহিদদের নিয়ে অনুষ্ঠান হচ্ছে। অথচ, গ্রামের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কারও কোনও পরিকল্পনা নেই।’’

লালগড়ের নেতাই গ্রামে ১৫তম ‘শহিদ দিবস’-এর তাল কাটে বিক্ষোভে। কার্যত থমকে যায় সভা। অনেকেই মনে করাচ্ছেন, ২০১২ সালে লালগড়ে প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, নেতাই গ্রামে রাস্তা হয়েছে। তখন মঞ্চে উঠে ‘শহিদ’ পরিবারের কন্যা জনতা আদক জানিয়ে দেন, রাস্তা হয়নি।

নেতাই গ্রামে সিপিএমের শিবির থেকে গুলি চালিয়ে গণহত্যার অভিযোগের দেড় দশক অতিক্রান্ত। প্রতি বছর ৭ জানুয়ারি ‘নেতাই শহিদ স্মৃতিরক্ষা কমিটি’র স্মরণসভায় রাশ থাকে তৃণমূলের। এ দিন উপস্থিত ছিলেন রাজ্য তৃণমূলের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার, টিএমসিপি-র রাজ্য চেয়ারপার্সন জয়া দত্ত, বনমন্ত্রী তথা ঝাড়গ্রামের বিধায়ক বিরবাহা হাঁসদা প্রমুখ। বেলা সাড়ে ১১টায় সভা শুরু হতেই শ’খানেক ছাত্রছাত্রীর বিক্ষোভ শুরু হয়। কয়েক জন অভিভাবকও ছিলেন। তাঁদের দাবি, নেতাই হাই স্কুলে অবিলম্বে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। প্ল্যাকার্ডেও লেখা ছিল— ‘ইতিহাসের শিক্ষক চাই’, ‘ভৌত বিজ্ঞান, জীবন বিজ্ঞান, সংস্কৃতের শিক্ষক চাই’।

পড়ুয়াদের আশ্বস্ত করে সভা শুরু হলেও, ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সন বিরবাহা সরেন টুডুর বক্তব্য শেষ হতেই স্লোগান ওঠে। বিক্ষোভের মধ্যে মাইক তুলে জয়প্রকাশ বলেন, “আজ শোকের দিন। শহিদ স্মরণে আমরা জড়ো হয়েছি। শিক্ষকের দাবি ন্যায্য। কিন্তু বিষয়টি অন্য দিকে নিয়ে যাবেন না।” আশ্বাস দেন, “সমস্যা মেটানোর ব্যবস্থা হবে। বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।” পড়ুয়ারা তাঁকে দাবিপত্র দেয়।

মঞ্চের এক পাশে জড়ো হওয়া পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী বিরবাহাও। পড়ুয়ারা হুঁশিয়ারি দেয়, শিক্ষক নিয়োগ না হলে, আগামী বছর নেতাই দিবসে নেতা-মন্ত্রীকে গ্রামে

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Netai

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy