Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৬ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

হৃদয়ে রামকৃষ্ণ, আচরণে কর্মযোগী

’৭৬-এ সারদাপীঠের সম্পাদক হয়ে টানা ১৫ বছর ধরে সেখানকার শিক্ষা ও কল্যাণকাজের প্রভূত উন্নতি সাধন করেন স্বামী স্মরণানন্দ। বাংলার ভয়াবহ বন্যায় ত্

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১৮ জুলাই ২০১৭ ০২:৫৭
Save
Something isn't right! Please refresh.
অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ। নিজস্ব চিত্র

অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ। নিজস্ব চিত্র

Popup Close

ছাত্রজীবন থেকেই তাঁর মন ও মনন জুড়ে শুধু শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ, মা সারদা আর স্বামী বিবেকানন্দ। রামকৃষ্ণ ভাবাদর্শে তিনি এতটাই মগ্ন যে, বাস আসতে দেরি হলে স্টপে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই পড়তেন স্বামীজির বই। তিনি, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ষোড়শ অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ।

পূর্বাশ্রমের নাম জয়রাম। ১৯২৯-এ জন্ম তামিলনাডুর তাঞ্জাভুর জেলার আন্দামি গ্রামে। মুম্বই রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ কুড়ি বছর বয়সে। ১৯৫২-য় রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সপ্তম অধ্যক্ষ স্বামী শঙ্করানন্দের কাছে মন্ত্রদীক্ষা নিয়ে যোগ দেন ওই আশ্রমেই। মা সারদার শিষ্য স্বামী সম্বুদ্ধানন্দের সান্নিধ্যে শুরু করেন কাজ। ’৫৬ সালে স্বামী শঙ্করানন্দের কাছে ব্রহ্মচর্যে দীক্ষিত হয়ে জয়রামের নাম হয় সম্বিৎ চৈতন্য। ’৬০ সালে স্বামী শঙ্করানন্দের কাছেই সন্ন্যাস গ্রহণের পরে তিনি হন স্বামী স্মরণানন্দ।

’৫৮ সালে মুম্বই আশ্রম থেকে অদ্বৈত আশ্রমের কলকাতা শাখায় আসেন স্বামী স্মরণানন্দ। দীর্ঘ ১৮ বছর ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন অদ্বৈত আশ্রমের বিভিন্ন শাখায়। বিবেকানন্দ প্রবর্তিত ইংরেজি পত্রিকা ‘প্রবুদ্ধ ভারত’-এর প্রবন্ধক সম্পাদকের দায়িত্ব সামলেছেন কয়েক বছর। তাঁর হাত ধরেই উন্নত হয় আশ্রমের প্রকাশনার মান। তাঁর উদ্যোগে বিবেকানন্দের বাণী একত্র করে প্রকাশিত হয় ‘বিবেকানন্দ: হিজ কল টু দ্য নেশন’ নামক বইটি।

Advertisement

’৭৬-এ সারদাপীঠের সম্পাদক হয়ে টানা ১৫ বছর ধরে সেখানকার শিক্ষা ও কল্যাণকাজের প্রভূত উন্নতি সাধন করেন স্বামী স্মরণানন্দ। বাংলার ভয়াবহ বন্যায় ত্রাণকাজে নেতৃত্ব দেন। তাঁর উদ্যোগেই বেলুড় মঠের সন্ধ্যারতি ক্যাসেটবন্দি হয়ে সমাজের কোণে কোণে ছড়িয়ে পড়ে।

’৮৩-তে মঠের অছি পরিষদ ও মিশনের পরিচালন সমিতির সদস্য হন স্বামী স্মরণানন্দ। ’৯১-এর ডিসেম্বরে হন চেন্নাই রামকৃষ্ণ মঠের অধ্যক্ষ। তাঁরই উদ্যোগে সেখানে গড়ে ওঠে দৃষ্টিনন্দন রামকৃষ্ণ মন্দির। ’৯৫-এর এপ্রিলে তিনি হন মঠ ও মিশনের সহকারী সম্পাদক। দু’বছর পরে সাধারণ সম্পাদক। তাঁর সময়েই দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, জার্মানিতে মিশনের সহযোগী কেন্দ্রগুলি বেলুড় মঠের অনুমোদন পায়। ২০০৭-এর মে মাসে তিনি সঙ্ঘের সহাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন। ভারত ও বিশ্বের নানা প্রান্তে গিয়ে মিশনের শাখা ও সহযোগী কেন্দ্র পরিদর্শন করে ছড়িয়ে দেন রামকৃষ্ণ ভাবপ্রবাহ। প্রবীণ সন্ন্যাসীদের কাছে তিনি সুরসিক এবং সরল মনের মানুষ।

স্বামী সুবীরানন্দ সোমবার বললেন, ‘‘স্বামীজি বলেছিলেন, ভাল সন্ন্যাসী হতে হলে চতুর্যোগের সমন্বয় চাই। সেই জ্ঞান, ভক্তি, কর্ম আর যোগ রয়েছে অধ্যক্ষ মহারাজের মধ্যে।’’



Tags:
Swami Smaranananda Ramakrishna Missionস্বামী স্মরণানন্দরামকৃষ্ণ মঠ
Something isn't right! Please refresh.

আরও পড়ুন

Advertisement