চাকরিপ্রার্থীদের ধর্নার বিরোধিতা করে এ বার হাই কোর্টে গেল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। তবে পর্ষদকে মামলা দায়ের করে আদালতে আসার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। বুধবার বিক্ষোভকারীদের ‘আমরণ অনশন’ তিন দিনে পড়ল।
সোমবার থেকে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে সল্টলেকের করুণাময়ীতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দফতর আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র (এপিসি) ভবন এলাকা। চাকরির দাবিতে বিক্ষোভে অনড় টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা। প্রাথমিক ভাবে চাকরিপ্রার্থীদের একাংশকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু নড়েননি বিক্ষোভকারীরা। এ বার ওই ধর্নার বিরোধিতা করে আদালতে গেল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের দাবি, আন্দোলনের জেরে তাঁদের দফতরে কোনও কর্মী ঢুকতে পারছেন না। তার ফলে কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কর্মীদের নিরাপত্তা দেওয়ার আবেদনও জানিয়েছে পর্ষদ।
আরও পড়ুন:
-
স্মার্টফোন কেনার জন্য রক্ত বিক্রি করতে গেল কিশোরী! হইচই কাণ্ড বালুরঘাট হাসপাতালে
-
বুধে বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্যের উপকূলবর্তী তিন জেলায়, শক্তি বাড়াচ্ছে আন্দামান সাগরের ঘূর্ণাবর্ত
-
দেশে গরিব মানুষ কমেছে ৪১.৫ কোটি, দরিদ্র রাজ্যগুলির মধ্যে নেই বাংলা, বলছে অক্সফোর্ড
-
হাজার কোটির বোর্ডে আরও কয়েক হাজার কোটি! তিন বছরে কত ঢুকেছে ক্রিকেট বোর্ডের সিন্দুকে?
বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে বুধবারই শুনানির জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন পর্ষদের আইনজীবী। কিন্তু, সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পর্ষদের আবেদন শুনে তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘এত দ্রুত শুনানির কী প্রয়োজন? এত দিন আন্দোলন চলছে, আর এক দিন চললে এমন কী অসুবিধা হবে?’’ এর পর পর্ষদকে মামলা দায়ের করে আদালতে আসার নির্দেশ দেন তিনি।