Advertisement
E-Paper

২০০-র বেশি নতুন বিধায়ক! কাজ বোঝাতে বিধানসভায় দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ, জানালেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু

স্পিকার রথীন্দ্র বসু জানিয়েছেন, বিধানসভাকে আগামী দিনে ই-বিধানসভায় রূপান্তরিত করা হবে। কাজ হবে ‘পেপারলেস’। অর্থাৎ, কাগজপত্রের পরিবর্তে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইনে কাজ হবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ ২০:১৩
সাংবাদিক বৈঠকে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু।

সাংবাদিক বৈঠকে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু। —নিজস্ব চিত্র।

নতুন বিধায়কদের কাজ বোঝাতে প্রশিক্ষণের বন্দোবস্ত করছে বিধানসভা। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু। সম্প্রতি চণ্ডীগড়ে স্পিকারদের সংগঠন কমনওয়েল্‌থ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে ফিরে সাংবাদিক বৈঠক করেন। আগামী ১৮ জুন থেকে বিধানসভায় শুরু হচ্ছে বাজেট অধিবেশন।

রথীন্দ্র জানিয়েছেন, বিধানসভাকে আগামী দিনে ই-বিধানসভায় রূপান্তরিত করা হবে। কাজ হবে ‘পেপারলেস’। অর্থাৎ, কাগজপত্রের পরিবর্তে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইন মাধ্যমে কাজ করা হবে। তাতে বিধানসভার সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগ আরও বাড়বে বলে মনে করেন স্পিকার। ওই প্রক্রিয়ায় বিধানসভার যাবতীয় নথি যে কেউ সরাসরি দেখতে পাবেন। সেই সঙ্গে নতুন বিধায়কদের প্রশিক্ষণের জন্য ভিন্‌ রাজ্য থেকে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন স্পিকারেরাও পশ্চিমবঙ্গে আসবেন। রথীন্দ্র বলেছেন, ‘‘আমাদের ২০০ জনের বেশি বিধায়ক একেবারে নতুন। তাঁরা অনেক কিছুই জানেন না। তাঁদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। অভিজ্ঞতাসম্পন্ন স্পিকারেরা আসবেন এবং বিধায়কদের সামনে ভাষণ দেবেন। দু’দিনের কর্মশালাও হবে।’’

বিধানসভায় প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসঙ্গে স্পিকার বলেছেন, ‘‘বিধানসভাকে আমরা ই-বিধানসভায় রূপান্তরিত করার চেষ্টা করছি। পেপারলেস বিধানসভা হবে। ১০০ দিনের মধ্যে আমরা সেটা সম্পন্ন করার চেষ্টা করব। এতে সাধারণ মানুষ বিধানসভার তথ্য সরাসরি দেখতে পাবেন। কোনও সমস্যা হলে বা কোনও প্রশ্ন থাকলে সরাসরি তা জানাতে পারবেন। পরামর্শও দিতে পারবেন। তাতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের যোগদান আরও ব্যাপক হবে।’’

চণ্ডীগড়ে স্পিকারদের সম্মেলনে রথীন্দ্র ছাড়াও যোগ দিয়েছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ়, গোয়া, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান এবং সিকিমের স্পিকার। ছিলেন দিল্লি, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, পঞ্জাব, জম্মু ও কাশ্মীরের বিধায়ক, সাংসদেরা। ২০৪৭ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিকশিত ভারতের লক্ষ্য এবং ভবিষ্যতের প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলার জন্য সচেতন সমাজ গড়ায় আইনপ্রণেতাদের ভূমিকা নিয়ে ওই সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে। সরকারের একক প্রচেষ্টায় যে এর বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, সে বিষয়ে সকলেই একমত। তার জন্য প্রয়োজন সচেতন নাগরিক সমাজ, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং দায়িত্বশীল আইনপ্রণেতাদের সম্মিলিত উদ্যোগ। আইনসভাগুলিকে আরও আধুনিক, তথ্যভিত্তিক, স্বচ্ছ ও নাগরিকবান্ধব করে তোলার কথা বলা হয়েছে সম্মেলনে।

রথীন্দ্র বলেন, ‘‘অনেক সময় দেখা যায়, বিধায়ক বা রাজনীতিবিদদের কাছে মানুষ পৌঁছোতে পারেন না। মানুষের সঙ্গে যত বেশি সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে, ততই সমাজ উন্নত হবে। এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এ ছাড়া প্রযুক্তির ধারাবাহিক ব্যবহারের উপরেও আমরা গুরুত্ব দেব।’’ ১৮ তারিখের বাজেট অধিবেশনে বিধানসভার কার্যকলাপ দেখার জন্য আলিপুরদুয়ার থেকে একটি স্কুলের ১০০ জন ছাত্রকে নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্পিকার। এ ছাড়া, বয়স্ক নাগরিক এবং আইন কলেজের ছাত্রছাত্রীদেরও আনা হবে।

Rathindra Bose MLA West bengal Assembly
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy