ভোট এলেই ডাক পড়ে তাঁদের।
ভোট কেন্দ্রে পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকার পরিকাঠামো তৈরিই মূল কাজ। তার মধ্যে অস্থায়ী শৌচালয় তৈরি যেমন থাকে, তেমনই থাকে পানীয় জলের ব্যবস্থা করা। থাকে আরও বহু কাজ।
জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের সেই ঠিকাদারদের অভিযোগ, ২০২১-এর বিধানসভা ভোটে তৈরি পরিকাঠামোর খাতে বকেয়া টাকার বেশির ভাগটাই এখনও তাঁরা পাননি। বকেয়া টাকার পরিমাণ প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। পঞ্চায়েত ভোটে ফের ভোটকেন্দ্রের পরিকাঠামো তৈরির দায়িত্ব পড়ছে। তাঁদের দাবি, এ বারও যদি টাকা বকেয়া রাখা হয়, তা হলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন। আগের টাকা না মেটালে এ বার পঞ্চায়েতে কাজ না করারও ইঙ্গিত দিয়েছেন কেউ কেউ।
ঠিকাদারদের ওই সংগঠন অল বেঙ্গল পিএইচই কনট্র্যাক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের (সিভিল) যুগ্ম সম্পাদক মানস চট্টোপাধ্যায়ের কথা, ‘‘নবান্নের কাছে রবিবার সভা করা হয়েছে। ২০২১ সালের ভোটের টাকা এখনও পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে লাভ হচ্ছে না। আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ চাই।’’ সংগঠনের বক্তব্য, বিক্ষিপ্ত ভাবে হয়তো কিছু বকেয়া টাকা মিলেছে। কিন্তু বেশির ভাগ টাকাই বাকি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)