Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৫ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

KMC: অশনির পর বৃষ্টির পূর্বাভাস! কলকাতায় জল জমার শঙ্কা, কর্মীদের ছুটি বাতিল করল পুরসভা

ঘূর্ণিঝড় অন্ধ্র ও ওড়িশার উপকূলে আছড়ে পড়বে বলেই কিছুটা চিন্তামুক্ত কলকাতা পুরসভা। তবে দক্ষিণবঙ্গ-সহ কলকাতায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০৮ মে ২০২২ ১৮:০৭
Save
Something isn't right! Please refresh.
কলকাতা পুরসভা।

কলকাতা পুরসভা।
ফাইল চিত্র

Popup Close

ঘূর্ণিঝড় অশনি কলকাতায় দাপট না দেখালেও, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আর তার জেরেই জল জমা নিয়ে প্রহর গুনতে শুরু করেছে কলকাতাবাসী। শহরবাসীর সেই আশঙ্কা কমাতেই আগে ভাগে পদক্ষেপ করা শুরু করল কলকাতা পুরসভা। জরুরি ভিত্তিতে আগামী সপ্তাহে পুরসভার আধিকারিক থেকে নিচুতলার কর্মীদের ছুটি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টির জেরে শহর কলকাতার কোনও এলাকায় বেশিক্ষণ যাতে জল না জমে থাকে, তা নিশ্চিত করতে শনিবারই ডিজি (নিকাশি)-কে নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

কলকাতা পুরসভার এক কর্তা বলেছেন, ‘‘নবান্ন থেকে আমাদের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। মুখ্যসচিব পর্যায় থেকেই আমাদের বার্তা পাঠানো হয়েছে। যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে আমরা প্রস্তুত। তারপরেই আধিকারিক ও কর্মীদের ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’ নবান্নের পাশাপাশি, আলিপুর আবহাওয়া দফতর থেকেও যে কলকাতা পুরসভাকে আগাম প্রস্তুতি নিতে বলেছে। তাই পুরসভার তৎপরতা আগে থেকেই বেড়ে গিয়েছে।

তবে ঘূর্ণিঝড় অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার উপকূলবর্তী এলাকায় হবে বলেই কিছুটা চিন্তা মুক্ত কলকাতা পুরসভা। তবে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গ-সহ কলকাতায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তার ফলে কলকাতায় জল জমতে পারে, সে ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভা আগাম কোনও বন্দোবস্ত রাখছে কি? সেই প্রশ্নের জবাবে নিকাশি বিভাগের এক কর্তা বলেন, ‘‘পূর্বাভাস অনুযায়ী, পাশের রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড় হবে। আর আমাদের কলকাতায় হবে বৃষ্টি। বৃষ্টির পর যাতে রাস্তায় দীর্ঘ সময় জল জমে না থাকে, সে বিষয়ে কলকাতা পুরসভা প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। আগামী সপ্তাহে যখনই বৃষ্টি নামুক আমরা তৈরি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘মেয়র পারিষদ (নিকাশি) তারক সিংহের নেতৃত্বে নর্দমাগুলি পরিষ্কার করার কাজ অনেকটাই হয়েছে। তাই বৃষ্টি হলে জল জমার কথা নয়।’’

Advertisement

প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত এই ঘূর্ণিঝড়ের বাংলার দিকে আসার কোনও পূর্বাভাস না থাকলেও ১০ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি, ১১ থেকে ১৩ মে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলির কয়েকটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলেও মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে। আর তাই সারা বছর পুরসভার যে কন্ট্রোল রুমটি চালু থাকে, তাকে আরও সক্রিয় হতে নির্দেশ দিয়েছেন ফিরহাদ।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement