×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৮ এপ্রিল ২০২১ ই-পেপার

জেতা ৭৭ আসনে জট খুলল বাম-কংগ্রেস জোটে, বাকি ২১৭, ফের বৈঠক বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ২৫ জানুয়ারি ২০২১ ২১:০৪
গতবারের মতো সঙ্ঘাত এবার না ঘটে, সতর্ক বাম-কংগ্রেস।

গতবারের মতো সঙ্ঘাত এবার না ঘটে, সতর্ক বাম-কংগ্রেস।

অবশেষে ৭৭টি আসনে খুলল জোটের জট । তবে এখনও ২১৭টি আসন নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলেই রইল। সোমবার বিকেলে ক্রান্তি প্রেসে জোটের আসন রফা চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসেন বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের নেতারা। প্রায় এক ঘণ্টা ৫ মিনিটের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে জোটে লড়াই করে জেতা কোনও আসনে পরস্পরের বিরুদ্ধে প্রার্থী দেবে না বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। বাকি ২১৭টি আসনের ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা হবে আগামী বৃহস্পতিবার।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বৃহস্পতিবারের বৈঠকে যোগ দেবেন। এ দিন মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেসের এক কর্মসূচি থাকায় কলকাতার বৈঠকে যোগ দেননি তিনি। তাই এদিনের বৈঠকে স্থির হয়, ৭৭টি আসন নিয়ে জোটে আর কোনও সমস্যা থাকবে না। পরবর্তী আলোচনায় বাকি আসনগুলি নিয়ে রফাসূত্র বের করা হবে।

গতবার ৪৪টি আসনে জিতেছিল কংগ্রেস, আর ৩৩টি আসনে জিতেছিল বামফ্রন্ট। তবে দু’পক্ষের নেতারাই পরস্পরের কাছে অনুরোধ করেছেন, গতবার কোনও কোনও আসনে কংগ্রেস-সিপিএম বা কংগ্রেস-বাম শরিকদের মধ্যেও সঙ্ঘাত হয়েছিল। প্রায় ২২টি আসনে পরস্পরের বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়ায় জোটে ভুল বার্তা গিয়েছিল জনমানসে। তাই এ বার তেমন কোনও ঘটনা যেন না ঘটে। সূত্রের খবর, ৭৭টি আসন বাদ দিয়ে ২১৭টি আসনের আলোচনায় প্রাধান্য পাবে ভোট শতাংশ। গত লোকসভা ভোটে কে কোথায় দ্বিতীয় বা তৃতীয় হয়েছে, সেগুলির বিচারেই আসন ভাগাভাগির আলোচনা হবে।

Advertisement

সোমবারের বৈঠক প্রসঙ্গে কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘‘যে পরিবেশে আসন রফা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তাতে আমরা খুশি। গতবার কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট যে যেখানে জয়ী হয়েছিল, সেখানে পরস্পরের সমর্থনে লড়বে। আশা করছি, আগামী বৈঠকেই আসন রফার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে।’’ আপাতত ৭৭টি আসনে জোটের জট খোলায় খুশি বামফ্রন্ট। এ প্রসঙ্গে আরএসপি নেতা বিশ্বনাথ চৌধুরী বলেন, ‘‘আসন রফার প্রথম ধাপ যখন এগিয়ে গিয়েছে, আগামী ধাপগুলিও ভাল ভাবেই এগোবে বলে আশা করছি।’’ তবে জোটের পাশাপাশি, যৌথ কর্মসূচির ওপর জোর দিয়েছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তিনি বলেছেন, ‘‘আসন নিয়ে আলোচনা যেমন চলছে, তেমন চলবে। তবে যৌথ কর্মসূচি আরও বাড়াতে হবে।’’

Advertisement