Advertisement
E-Paper

‘পুলিশি হয়রানি’র বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মুর্শিদাবাদে নিহত পিতা-পুত্রের পরিবার, এক দিন পরে আসতে বললেন বিচারপতি

পুলিশি হয়রানির বিরুদ্ধে এ বার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ মুর্শিদাবাদে অশান্তির আবহে নিহত হরগোবিন্দ এবং চন্দন দাসের পরিবার। হরগোবিন্দ এবং চন্দন সম্পর্কে পিতা-পুত্র।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ মে ২০২৫ ১৩:২২

—প্রতীকী ছবি।

পুলিশি হয়রানির বিরুদ্ধে এ বার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ মুর্শিদাবাদে অশান্তির আবহে নিহত হরগোবিন্দ এবং চন্দন দাসের পরিবার। হরগোবিন্দ এবং চন্দন সম্পর্কে পিতা-পুত্র। সোমবার তাঁদের পরিবারের আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বিষয়টিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করান। কিন্তু সোমবার কোনও শুনানি হয়নি। নিহতদের পরিবারকে আবার মঙ্গলবার আসতে বললেন বিচারপতি। নিহতদের পরিবারের আইনজীবীদের মঙ্গলবার ফের বিষয়টিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করাতে বলেছেন তিনি।

নিহত বাবা-ছেলের পরিবারকে নিয়ে টানাটানি ইতিমধ্যেই নাটকীয় মোড় নিয়েছে। স্বামীহারা দুই মহিলাই কলকাতা চলে এসেছেন মুর্শিদাবাদ থেকে। তাঁদের অপহরণ করা হয়েছে, এমন অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তাঁদের কলকাতার বাড়িতেও হানা দেয়। অভিযোগ, পুলিশ দরজা ভেঙে বাড়িতে প্রবেশ করেছে এবং জোর করে হরগোবিন্দ এবং চন্দনের স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। দাস পরিবারের দাবি, তাদের মোটেই অপহরণ করা হয়নি। নিরাপত্তার কারণে তারা আত্মগোপন করেছে।

পুলিশি অভিযানের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ এবং আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তাঁদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর সভায় দুই নিহতের স্ত্রীকে নিয়ে যেতে চাইছে প্রশাসন। সেই কারণেই এই পুলিশি অভিযান।

স্বামীহারা দুই মহিলা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকেও চিঠি লিখেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশি অভিযান নিয়ম মেনে হয়নি। চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘‘কোনও মহিলা কনস্টেবল ছিল না। যা সম্পূর্ণ ভাবে আইন এবং আমাদের মর্যাদার পরিপন্থী।’’ পরিবারের দাবি, পুলিশ তাদের জানিয়েছে যে, হরগোবিন্দের আর এক ছেলে অপহরণের একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাই ওই অভিযান। কিন্তু ওই অভিযোগের কোনও নথি তাদের দেখানো হয়নি বলেই দাবি পরিবারের। তাদের আরও দাবি, হরগোবিন্দের ছেলেকে ভয় দেখিয়েই ওই অভিযোগ করানো হয়েছে।

নিহতের পরিবার রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে জানিয়েছে যে, তারা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছে। তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হোক। তারা কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে চায়। তা যাতে নিরাপদে তারা করতে পারে, তা-ও নিশ্চিত করারও অনুরোধ করেছিল ওই পরিবার।

যদিও জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার অমিত সাউ বলেছিলেন, ‘‘অপহরণের নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তকারী আধিকারিক ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন। নিয়মমাফিক তদন্ত হয়েছে। এর বাইরে যে যা অভিযোগ করছেন, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’’

Murshidabad
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy