E-Paper

হরকালীকে নিয়ে বহু দাবি বিজেপিতে

কোতুলপুরে ঘটা করে হরকালীকে সংবর্ধনা দেয় তৃণমূল। আর হরকালী ‘বিদায়ে’র খুশিতে সকালে সোনামুখীতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি পথচলতি মানুষকে মিষ্টি মুখ করান।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০২৩ ০৬:৪৪
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং হরকালী প্রতিহার।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং হরকালী প্রতিহার। —ফাইল চিত্র।

কোতুলপুরের বিজেপি বিধায়ক হরকালী প্রতিহারের দল বদল নিয়ে মুখ খুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির সাবেক রাজ্য দফতর মুরলীধর সেন লেনে শুক্রবার তিনি বলেন, “স্থির চিত্র দিয়ে কিছু প্রমাণ হয় না। এক মাস আগের ছবি ওঁর অনুমতি নিয়ে বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে ছাড়া হয়েছে। ভাইপোকে বলব, আপনার পিতৃপরিচয় যদি ঠিক থাকে তা হলে আপনি সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে একজনকে দলবদল করান। হাতে পতাকা তুলে দিন। সেই সাহস নেই। এ সব করে বিজেপিকে দুর্বল করা যাবে না।’’ তাঁর দাবি, কার কত শক্তি বোঝা যাবে লোকসভা নির্বাচনে। শুভেন্দুর কথায়, ‘‘লোকসভা ভোট হল আসল নির্বাচন। সেই নির্বাচনে আমাদের নেতা অমিত শাহ এসে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। গণনার দিন সন্ধ্যায় কথা হবে।”

এই প্রসঙ্গে ফের এক বার কথার লড়াইয়ে জড়িয়েছেন দলের দুই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায় ও দিলীপ ঘোষ। হরকালীর দলবদলের পর সামাজিক মাধ্যমে তথাগত লেখেন, “বঙ্গ বিজেপিতে সব কিছু ঠিক নেই। সাংগঠনিক বদল প্রয়োজন।” পাল্টা দিলীপ বলেন, “আগে তো আমি সভাপতি ছিলাম। আমায় পছন্দ ছিল না। বদলে নতুন সভাপতি আনা হল। আবার বলছে বদল চাই। কত বদল হবে। দল তো হারতে হারতে হারাধন হয়ে গিয়েছে। এত বদল হলে কাজ হবে কখন। পুরনোরা এসে কাজ করুন না। এখানেই থেমে থাকেননি মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ। তাঁর সংযোজন, ‘‘বিধায়ক দল ছেড়ে চলে গিয়েছেন। আর সাংসদ বলছেন, আপদ গিয়েছে। এই ভাবে হয় নাকি! কেন দল ছাড়ছে খোঁজ নিতে হবে না, কথা বলতে হবে না?” তবে হরকালী সম্পর্কে তাঁর মত, অনেক দিন ধরেই যোগাযোগ রাখতেন না। আলাদা আলাদা থাকতেন। তৃণমূলকে ভয় পেয়ে চলতেন। দিলীপের কাছে সেই খবর ছিল।

এ দিকে এ দিন কোতুলপুরে ঘটা করে হরকালীকে সংবর্ধনা দেয় তৃণমূল। আর হরকালী ‘বিদায়ে’র খুশিতে সকালে সোনামুখীতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি পথচলতি মানুষকে মিষ্টি মুখ করান। তিনি বলেন, “ব্যক্তিস্বার্থ নিয়ে চলা নেতাদের বিজেপিতে ঠাঁই নেই। এমন লোকজনের চলে যাওয়াটা দলের স্বাস্থ্যের পক্ষে মঙ্গলের।’’ তৃণমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অলক মুখোপাধ্যায়ের কটাক্ষ, “বিধায়ক খুইয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়েই এ সব করছে বিজেপি।” হরকালী বলেন, “বিজেপিতে থেকে আমার শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। ওই দলে আর নীতি আদর্শ বলে কিছু নেই। তাই উন্নয়নের লক্ষ্যে তৃণমূলে এসেছি।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

BJP TMC

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy