Advertisement
E-Paper

বিরোধীদল হলেও, দেওয়া হয়নি মর্যাদা! বিধানসভার সচিবালয়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে আরটিআই তৃণমূলের শোভনদেবের

যে চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার কথা জানানো হয়েছে বিধানসভার সচিবালয়কে, সেই চিঠিতেই ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়-অসীমা পাত্রকে উপ-দলনেতা করার কথা জানানো হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ মে ২০২৬ ১৭:২৪
TMC leader Sovandeb Chatterjee filed a RTI against legislative Assembly secretariat

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

বালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে এখনও বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেয়নি বিধানসভার সচিবালয়। অষ্টাদশ বিধানসভা গঠনের পর প্রথম অধিবেশন হয়ে গেলেও কেন এখনও তাঁকে এই মর্যাদা দেওয়া হয়নি, তা স্পষ্ট জানতে তথ্য জানার অধিকার আইনে (আরটিআই) আবেদন করলেন তিনি। শোভনদেবের অভিযোগ, গত ১৩ মে সর্বভারতীয় তৃণমূলের তরফে স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর উদ্দেশে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। যেখানে ৮০ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে তৃণমূল পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে শোভনদেবের নাম জানানো হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও কেন এখনও কেন তাঁকে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়া হয়নি— সেই অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল পরিষদীয় দল।

তৃণমূল সূত্রে খবর, স্পিকার অফিসে না-থাকায়, সেই চিঠিটি দেওয়া হয়েছিল বিধানসভার সচিব সমরেন্দ্রনাথ দাসকে। চিঠি জমা দেওয়ার প্রায় পাঁচ দিন পরেও বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁকে কোনও সরাসরি স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ ওই অশীতিপর রাজনীতিকের। তবে স্পিকারের দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, তৃণমূল পরিষদীয় দল একটি চিঠি দিয়ে বিধানসভার সচিবালয়ে তাদের দলনেতার নাম জানিয়েছে। কিন্তু পাল্টা চিঠি দিয়ে বিধানসভার সচিবালয় জানিয়েছে, তৃণমূল পরিষদীয় দলের যে বৈঠকে শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে, সেই প্রস্তাবে ৮০ জন বিধায়কের স্বাক্ষরিত পত্রটি পাঠানো হোক।

প্রসঙ্গত, ২৯৪ আসন বিশিষ্ট বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে ৩০ জন বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন হয়। এ ক্ষেত্রে তৃণমূলের কাছে ৮০ জন বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও নানা অছিলায় তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। শোভনদেব বলেছেন, ‘‘বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনও চিঠিপত্র আদান-প্রদান হয় না। তবে বিধানসভার সচিবালয় থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে নিয়োগ করার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। এমনকি, বিধানসভায় বিরোধী দলের জন্য যে অফিসটি রয়েছে সেখানেও তালা ঝোলানো রয়েছে।’’ শোভনদেব আরও বলেন, ‘‘আমি বাধ্য হয়েই আরটিআই করেছি। সেখানে আমি জানতে চেয়েছি, ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ক্ষেত্রে কি নিয়ম অনুসরণ করেছিল সচিবালয়?’’

ঘটনাচক্রে, সোমবার বিধানসভায় এসেছিলেন শোভনদেব। বিরোধী দলনেতার ঘর তালাবন্ধ থাকায় দীর্ঘ ক্ষণ বিধানসভার লবিতে বসেই নিজের কাজকর্ম সেরে ফিরে যান। উল্লেখ্য, যে চিঠিতে শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা করার কথা জানানো হয়েছে, সেই চিঠিতেই ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়-অসীমা পাত্রকে উপ-দলনেতা করার কথা জানানো হয়েছে।

Sovandeb Chattopadhyay Opposition Leader TMC RTI West Bengal Legislative Assembly Secretariat
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy