রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী বিরোধ ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দায়ী করল বিজেপি। আর তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির হয়ে রাজ্যপাল কাজ করছেন। তাঁর ইস্তফা চেয়েছে তৃণমূল।
বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, ‘‘রাজ্যপাল কোনও পরামর্শ দিলে এত প্রতিক্রিয়ার কী আছে! তা ছাড়া রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর কথোপকথন গোপন থাকে। কিন্তু এখানে মুখ্যমন্ত্রী তা প্রকাশ করে দিয়েছেন।’’ সন্ধ্যায় রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ফোন করে পরিস্থিতি জানতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ।
তৃণমূল মুখপাত্র ডেরেক ও’ ব্রায়েন বলেন, ‘‘রাজভবনকে রাজ্যপাল বিজেপির পার্টি অফিসে পরিণত করেছেন। ওঁকে সরাতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করছি।’’
কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসক দলের বিরোধকে গুরুত্ব না দিয়ে অবিলম্বে বসিরহাটের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দাবি তুলেছে বাম ও কংগ্রেস। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, ‘‘সর্বদল বৈঠক ডাকা হোক। সেনা নামিয়ে পরিস্থিতি সামলানো হোক। ফোনে কে কাকে কী বলেছেন, তা নিয়ে বিতর্ক এখন অবাঞ্ছিত।’’ বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান বলেন, ‘‘দু’জনেই সাংবিধানিক প্রধান। তাঁদের কথোপকথন এ ভাবে প্রকাশ্যে আনা শিষ্টাচার-বিরোধী।’’