×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৫ এপ্রিল ২০২১ ই-পেপার

পিকে-র ‘ঝুলনে’ দিদির উন্নয়ন চিত্র, সঙ্গী অভিষেক

প্রদীপ্তকান্তি ঘোষ
কলকাতা ১২ অগস্ট ২০১৯ ০৩:৫৪
সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝুলন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝুলন।

একদা বাড়িতে বাড়িতে ঝুলন সাজানো হত। সেখানে কোথাও বা ঠাঁই পেত পৌরাণিক কাহিনি, কোথাও আবার গ্রাম কিংবা অন্য কোনও দৃশ্য। সময়ের টানে সে-সব অনেকাংশেই এখন অতীত। এ বার ঝুলনযাত্রাকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর বা পিকে। তবে তা মঞ্চে বা রাস্তার মোড়ে নয়, সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক মাধ্যমে।

পিকে-র টিমের তৈরি ফেসবুকে ‘আমার গর্ব মমতা’ পেজে পশ্চিমবঙ্গের খণ্ডচিত্র ব্যবহার করে ঝুলনযাত্রার শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। রাধাকৃষ্ণকে কেন্দ্র করে বঙ্গের উন্নয়ন সংক্রান্ত দৃশ্য স্থান পেয়েছে সেখানে। সেই ঝুলন সাজাচ্ছেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাহায্যকারী হিসেবে ফুলের ঝুড়ি বা ধামা নিয়ে হাজির যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি তৃণমূলের অন্দরেও ভবিষ্যতের অন্যতম প্রতীক। সেই ঝুলনদৃশ্য দেখছে মমতাকে ঘিরে থাকা বাচ্চারা।

ঝুলন সাধারণত বাচ্চারাই সাজিয়ে থাকে। তাতে কখনও-সখনও সাহায্য করে থাকেন বাড়ির বড়রা। সে-ক্ষেত্রে পরিবারের বড়রা বিভিন্ন বিষয়ে কচিকাঁচাদের কৌতূহল মেটান। ‘আমার গর্ব মমতা’ পেজে তেমন ভাবেই দেখানো হয়েছে, মমতাও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বঙ্গের উন্নয়নের চিত্র বোঝাচ্ছেন। তাই সেখানে ঠাঁই পেয়েছে রাজ্যের উড়ালপুল, রাস্তা, সেতু, বহুতল, স্কুল, তোরণ। সঙ্গে রয়েছে ছৌ নাচ, বাউল। রয়েছে চাষের জমিও। সেই সব অনুষঙ্গের পাশাপাশি আমজনতাকে ঝুলনের শুভেচ্ছা জানিয়ে পিকে-র টিম ফেসবুকে লিখেছে: ‘গত আট বছরে বাংলাকে প্রগতির পথে চালিত করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘ অপশাসনের পরে রাজ্যবাসীকে উপহার দিয়েছেন এক গুচ্ছ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড। তাই বাংলার মানুষের গর্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ এই ঝুলন সংক্রান্ত ছবির নীচে হাতেগোনা কয়েকটি ‘কমেন্ট’ বাদ দিলে সবই মমতার প্রশস্তিসূচক। অবশ্য তার মাঝখানে নুর নওয়াজ নামে এক ব্যক্তি শিক্ষা ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান নিয়ে সমালোচনা করেছেন। নওয়াজের বক্তব্য সমর্থন করেছেন জনৈক রাহুল রায়। এক জন জয় শাহ সম্বন্ধে কিছু বলার কথা বলেছেন। সেখানে নুর নওয়াজ, জয় শাহের সঙ্গে নাম করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও।

Advertisement

তবে ঝুলনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট এই প্রথম দেওয়া হয়নি। আগেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ভাবে রাজ্যের উন্নয়নের সঙ্গে ঝুলনকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ফেসবুক পোস্ট প্রথম বার। যার পরতে পরতে পেশাদারির ছোঁয়া।

Advertisement