E-Paper

প্রোমোটার খুনে গ্রেফতার আরও দুই

বুধবার রাতে এন্টালিতে তাপস নস্কর নামে এক প্রোমোটারকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। বছর পঁয়ত্রিশের যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। দুই প্রোমোটার গোষ্ঠীর পুরনো বিবাদের জেরে এই খুনের ঘটনা বলে প্রাথমিক ভাবে জেনেছিলেন তদন্তকারীরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ০৯:৫৪

— প্রতীকী চিত্র।

গোষ্ঠী-বিবাদের জেরে এন্টালিতে প্রোমোটারের খুনের ঘটনায় গ্রেফতার আরও দু’জন। শনিবার রাত ২টো নাগাদ হাসনাবাদ থেকে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম ভোলা কর ওরফে বক ভোলা। অন্য জন রবিবার বিকেলে এন্টালি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে। তার পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতের নাম দেবাশিস চাপড়ি ওরফে দুষ্টু। এই নিয়ে এই ঘটনায় মোট চার জনকে গ্রেফতার করল লালবাজার।

বুধবার রাতে এন্টালিতে তাপস নস্কর নামে এক প্রোমোটারকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। বছর পঁয়ত্রিশের যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। দুই প্রোমোটার গোষ্ঠীর পুরনো বিবাদের জেরে এই খুনের ঘটনা বলে প্রাথমিক ভাবে জেনেছিলেন তদন্তকারীরা। মৃত তাপসের পরিবারের তরফে এন্টালি থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই ভিত্তিতে খুনের মামলা রুজু হয়। তদন্তে নেমে শনিবার রাত ২টো নাগাদ ভোলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রবিবার বিকেলে এন্টালির পটারি রোডের বাসিন্দা দেবাশিস ওরফে দুষ্টু স্থানীয় এন্টালি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে।

লালবাজার জানিয়েছে, খুনের পরে ভোলা বার বার নিজের অবস্থান বদলাচ্ছিল। এ দিন রাতে খবর আসে সে হাসনাবাদে রয়েছে। গোপন সূত্রে পাওয়া ওই খবরের ভিত্তিতে রাতেই হাসনাবাদ থানা এলাকায় কোনানগরে অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতার করা হয় ভোলাকে। ভোলাও এন্টালির পটারি রোডের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে আগেই দীপক দাস ওরফে নেটো এবং পিঙ্কু দাস নামে দু’জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। স্থানীয় সূত্রের খবর, এন্টালি,
তিলজলা এলাকায় প্রোমোটি‌ং ঘিরে তাপস এবং দীপকের বিবাদের সূত্রপাত। অতীতে তাপসের অধীনে দীপক কাজ করলেও ২০১৮ সাল থেকে দু’জনের সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে। ওই সময় থেকেই দু’জনের বিবাদে এন্টালি থানার পটারি রোড-সহ বেশ কিছু জায়গায় গোলমালের অভিযোগ সামনে আসে। দুই গোষ্ঠীর বিবাদে গুলি চলার এবং বোমা পড়ার অভিযোগও আসছিল। এ সবের জেরে এর আগে তাপসকে জেলে যেতে হয়েছিল। বছর দুই আগে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে এলাকায় ঢোকাও বন্ধ হয়ে যায় তার।

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে বুধবারই বাড়ি ফিরেছিলেন তাপস। মধ্যরাতে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময়ে দীপক দলবল নিয়ে তাপসের উপরে চড়াও হয় বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছেন তদন্তকারীরা। তখনই খুন করা হয় তাপসকে। ঘটনাস্থলে গুলি চলে বলে অভিযোগ। এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, ‘‘এই খুনের ঘটনায় আরও কয়েক জনের নাম সামনে এসেছে। ধৃতদের জেরা করে বাকিদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Murder Case

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy