Advertisement
E-Paper

অনুমতি ছাড়া সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলা সংক্রান্ত নির্দেশিকা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ‘পরিমার্জন’! সীমিত হল প্রয়োগক্ষেত্র

বুধবারের নির্দেশিকা নিয়ে প্রশাসনিক মহলের একাংশের ব্যাখ্যা ছিল, এই নির্দেশিকার মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের জনসমক্ষে মতপ্রকাশের ক্ষেত্র সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। যদিও সরকারের একাংশের দাবি, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরকারি তথ্যের অপব্যবহার রুখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছিল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ মে ২০২৬ ১৯:৪৯
West Bengal government issues clarification regarding the notification barring government employees speaking with the media

নবান্ন। —ফাইল চিত্র।

বিতর্ক, আইনি প্রশ্ন এবং বিরোধীদের আক্রমণের প্রেক্ষাপটে বুধবার জারি হওয়া সরকারি আধিকারিকদের সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলা সংক্রান্ত নির্দেশিকার ব্যাখ্যা দিল নবান্ন। বৃহস্পতিবার কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতর একটি নতুন ব্যাখ্যায় জানিয়েছে, আগের নির্দেশিকার প্রয়োগক্ষেত্র সীমিত করা হচ্ছে।

নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শুধুমাত্র রাজ্য সরকারের নিয়মিত (রেগুলার) দফতরগুলির আধিকারিক ও কর্মচারীদের ক্ষেত্রেই ওই নির্দেশিকা প্রযোজ্য হবে। পাশাপাশি সরকার নিয়ন্ত্রিত বোর্ড, পুরসভা, পুরনিগম, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এবং অন্য ‘প্যারাস্ট্যাটল’ সংস্থার কর্মীরাও এই নির্দেশিকার আওতায় থাকবেন। ফলে প্রথমে যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল যে সমস্ত সরকারি বা সরকার-পোষিত কর্মীদের উপর সংবাদমাধ্যমে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা চাপানো হচ্ছে, তা অনেকটাই বদলে গেল। আমলামহলের একাংশের ব্যাখ্যা, পরিমার্জিত নির্দেশিকায় শিক্ষাক্ষেত্রকে ছাড় দেওয়া হল।

বুধবারের নির্দেশিকা নিয়ে প্রশাসনিক মহলের একাংশের ব্যাখ্যা ছিল, এই নির্দেশিকার মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের জনসমক্ষে মতপ্রকাশের ক্ষেত্র সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। যদিও সরকারের একাংশের দাবি, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরকারি তথ্যের অপব্যবহার রুখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছিল। নির্দেশিকা ঘিরে বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিক্রিয়া আসতে থাকে। বিরোধী রাজনৈতিক দল, আইনজীবী মহল এবং সংবাদমাধ্যমের একাংশ অভিযোগ তোলে, এই নির্দেশিকা কার্যত সরকারি কর্মীদের বাক্‌স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ করছে। আইনি মহলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ওই নির্দেশিকার প্রয়োগক্ষেত্র সীমিত করা হল।

তবে মূল নির্দেশিকা প্রত্যাহার করা হয়নি। অর্থাৎ আইএএস, ডব্লিউবিসিএস, ডব্লিউবিপিএস-সহ রাজ্য সরকারের স্থায়ী আধিকারিক ও কর্মীদের ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদানের উপর কড়াকড়ি এখনও বহালই রয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সরকার এখন আদালতে গিয়ে যুক্তি দিতে পারে যে তারা নির্দেশিকার পরিধি সীমিত করেছে এবং অতিরিক্ত প্রয়োগের সম্ভাবনা কমিয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্দেশিকা ‘পরিমার্জন’-এর কৃতিত্ব দাবি করেছে তৃণমূল। তাদের প্রতিবাদের জেরেই সরকারি সিদ্ধান্ত ‘বদল’ হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

WB State Government Government Employees
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy