ঘোষণা আগেই করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ বার সরকারি বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়ে গেল নবান্ন থেকে। বৃদ্ধি করা হল সরকারি চাকরিতে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা। গ্রুপ এ, গ্রুপ বি, গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি— প্রতিটি ক্ষেত্রেই চাকরির আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
রাজ্যের অর্থ দফতরের অডিট শাখার জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রুপ এ চাকরিতে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করে ৪১ বছর করা হয়েছে। তবে এ-ও বলা হয়েছে, গ্রুপ এ-র কোনও চাকরির ক্ষেত্রে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা আগে থেকেই ৪১ বছরের বেশি থাকলে, তাতে কোনও বদল হবে না। গ্রুপ বি চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করে ৪৪ বছর করা হয়েছে। গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি চাকরিতে আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি পেয়ে হচ্ছে ৪৫ বছর।
আরও পড়ুন:
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১১ মে থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে। উল্লেখ্য, রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠনের পর ওই দিনেই বসেছিল নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ওই দিন বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকেই মন্ত্রিসভায় গৃহীত এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এ বার সরকারি চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করে দিল নবান্ন।
রাজ্যে ক্ষমতায় এলে কর্মসংস্থানের বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপের বার্তা দিয়েছিল বিজেপি। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে তারই প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। রাজ্যে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে আবেদনের বয়ঃসীমা পাঁচ বছর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই দিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর শুভেন্দু জানান, ২০১৫ সালের পরে পশ্চিমবঙ্গে কোনও নিয়োগ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে বহু শিক্ষিত যুবক-যুবতীর চাকরির আবেদনের জন্য বয়ঃসীমা পেরিয়ে গিয়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।