Advertisement
E-Paper

‘সর্বস্বান্ত হয়ে গেলাম’! ভস্মীভূত গুদামের ধৃত মালিক গঙ্গাধর কে? ৪০ বছরে ফুলেফেঁপে ওঠে তাঁর ডেকরেটিংয়ের ব্যবসা

কী ভাবে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে গাফিলতির অভিযোগ উঠছে। দমকল বিভাগের মতে, ওই গুদামে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। তারা অভিযোগ দায়ের করে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৫৭
ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাস।

ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাস। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

৪০ বছরের বেশি সময় ধরে ডেকরেটিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ধীরে ধীরে তাঁর ব্যবসা ফুলেফেঁপে ওঠে। রবিবার আনন্দপুরের নাজিরাবাদে তাঁর ডেকরেটিংয়ের গুদাম ভস্মীভূত হয়ে যায়। ঘটনার পর থেকেই ‘পলাতক’ ছিলেন তিনি। তবে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার হলেন ওই ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাস।

গঙ্গাধরের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি থানার অন্তর্গত পূর্বচড়া গ্রামে। ৪০ বছর আগে নিজের এলাকায় ডেকরেশনের ব্যবসা শুরু করেন তিনি। প্রথম প্রথম জেলার মধ্যে নানা অনুষ্ঠানে সাজানোর বরাত পেতেন। সেইমতো প্লাস্টিক ফুল নিয়ে এসে কারিগরদের দিয়ে সাজাতেন অনুষ্ঠানস্থল। পরে বিদেশ থেকে বিভিন্ন সাজানোর দ্রব্য আমদানি করতেন গঙ্গাধর। প্রায় ১৩ বছর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের পাশাপাশি কলকাতার অদূরে খেয়াদহ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের নাজিরাবাদ এলাকায় কারখানা এবং গুদাম চালু করেন তিনি। সেই গুদামই আগুনে পুড়ে যায়। গাফিলতির কারণে দুর্ঘটনা— এই ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তবে গঙ্গাধরের দাবি, গাফিলতি তাঁর নয়। পুলিশের কাছে তিনি দাবি করেছেন, মোমো কারখানার গাফিলতির কারণেই আগুন লাগে। এই ঘটনায় তাঁর দীর্ঘদিনের ব্যবসা শেষ হয়ে গিয়েছে।

রবিবার রাত ৩টে নাগাদ পূর্ব কলকাতার জোড়া গুদামে আগুন লাগে। ওই ডেকরেটিংয়ের গুদামের পাশেই ছিল এক মোমো কোম্পানির গুদাম। আগুনের গ্রাসে দুই গুদামই পুড়ে খাক হয়ে যায়। এখনও পর্যন্ত এই অগ্নিকাণ্ডে ১৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে ঠিক কত জন ছিলেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়। দগ্ধ দেহাংশ দেখে পরিচয় জানার উপায় নেই। ডিএনএ পরীক্ষা করে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে।

কী ভাবে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে গাফিলতির অভিযোগ উঠছে। দমকল বিভাগের মতে, ওই গুদামে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। তারা অভিযোগ দায়ের করে। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই নজরে ছিলেন গঙ্গাধর। মোবাইল ফোন দীর্ঘ ক্ষণ বন্ধ ছিল। কেউই যোগাযোগ করতে পারেননি তাঁর সঙ্গে। তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। দায়ের হয় এফআইআরও। মঙ্গলবার বিকেলের পর তাঁর খোঁজ মেলে। তাঁকে নিয়ে আসা হয় থানায়। পরে গ্রেফতার হন।

Anandapur Fire Incident arrest
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy