Advertisement
E-Paper

তোলা চেয়েছেন নেতা, নবান্নে পাড়ুইয়ের যুবক

নিজের দ্বিতীয় ইনিংসে তোলাবাজির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তোলাবাজিতে দলের কারও নাম জড়ালেও তাঁকে যে রেয়াত করা হবে না, তা সল্টলেকের তৃণমূল কাউন্সিলর অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির পরে স্পষ্ট।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ জুলাই ২০১৬ ০৪:৩৩
লিখিত অভিযোগ নিয়ে হাজির কুরমিঠা গ্রামের মিঠুন। বুধবার নবান্নের সামনে। —নিজস্ব চিত্র

লিখিত অভিযোগ নিয়ে হাজির কুরমিঠা গ্রামের মিঠুন। বুধবার নবান্নের সামনে। —নিজস্ব চিত্র

নিজের দ্বিতীয় ইনিংসে তোলাবাজির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তোলাবাজিতে দলের কারও নাম জড়ালেও তাঁকে যে রেয়াত করা হবে না, তা সল্টলেকের তৃণমূল কাউন্সিলর অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির পরে স্পষ্ট। মুখ্যমন্ত্রীর উপর ভরসা করে সরব হচ্ছেন গ্রামের মানুষও। বুধবার এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে বীরভূমের পাড়ুই থেকে নবান্নে এসে হাজির হলেন এক যুবক।

মিঠুন ঘরাই নামে ওই যুবক এ দিন বেলা ১২টা নাগাদ নবান্নে এসে পুলিশের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি জমা দেন। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর যদিও জানিয়ে দেয়, আগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে হবে। তার পরেও কোনও ব্যবস্থা না হলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিতে হবে। এর পরেই বাড়ি ফিরে যান ওই যুবক। পাড়ুইয়ের কুরমিঠা গ্রামের বাসিন্দা মিঠুনের অভিযোগ, এলাকার তৃণমূলের এক উপপ্রধান তাঁর কাছে পুকুর সংস্কার এবং চাষ করার জন্য তিন লক্ষ টাকা তোলা দাবি করেছেন। এমনকী, ৫০
হাজার তোলা না দেওয়ায় ওই উপপ্রধান তাঁর কেনা একটি ধান কাটার মেশিন খেতে ব্যবহার করতে দিচ্ছেন না বলেও মিঠুনের অভিযোগ। ‘‘পুলিশকে মৌখিক জানিয়েও সুরাহা হয়নি।
তাই মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছি,’’— দাবি ওই যুবকের।

যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে অভিযুক্ত নেতার পাশে দাঁড়িয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল নেতৃত্ব। ওই যুবকের নবান্ন অভিযানের কথা জানাজানি হতেই সন্ধ্যায় বোলপুরে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল দাবি করেন, ‘‘ওই যুবক নিজেই প্রতারক। দলের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে অভিযোগ তুলেছে। এলাকায় খোঁজ নিলেই তা পরিষ্কার হবে।’’

ওই উপপ্রধানেরও দাবি, ‘‘মিঠুন এলাকায় মামলাবাজ বলে পরিচিত। বাজারে প্রচুর ধার রয়েছে। ওর থেকে কেন টাকা চাইব?’’ মিঠুন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের পরামর্শ মেনে এ ব্যাপারে আজ, বৃহস্পতিবার পাড়ুই থানায় তিনি লিখিত অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছেন জেলার এসপি নীলকান্ত সুধীর কুমার।

extortion money parui
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy