ছোট্ট ল্যাব্রাডরের ছবি দেখে বাবার কাছে বায়না জু়ড়েছিল তাতিন। ছেলের আবদার রেখেওছিলেন বাবা। ল্যাব্রাডরের বয়স দশ মাস হতেই তাকে নিয়ে দু’কামরার ফ্ল্যাটে অতিষ্ঠ রায় দম্পতি। তখনই বুঝেছিলেন ছোট পোষ্য আনলে তাকে যত্ন করতে পারতেন। পোষ্য কেনার আগে মাথায় রাখুন কয়েকটা বিষয়। পরামর্শ দিলেন প্রাণিরোগ বিশেষজ্ঞ পূর্ণেন্দুবিকাশ ভট্টাচার্য।
• এখন অনেক পরিবারেই স্বামী-স্ত্রী উভয়েই চাকরি করেন। সন্তানের ভাললাগার জন্য কুকুর পুষে দায় এড়াতে পারেন না। কতটা সময় তাকে দিতে পারবেন, সেটাও মাথায় রাখুন। অকারণে বন্ধ ঘরে আটকে রাখবেন না। এর ফলে শান্ত কুকুরও আস্তে আস্তে হিংস্র হয়ে যেতে পারে। যদি উভয়ে চাকরি করেন তাহলে ছোট কুকুর পোষাই ভাল। তবে ছুটির দিনে অবশ্যই পোষ্যকে সঙ্গ দিন।
• আপনি যদি বাড়ি পাহারা দেওয়ার জন্য কুকুর পুষতে চান তাহলে ডোভারম্যান, ল্যাব্রাডর, অ্যালসেশিয়ান, জার্মান শেফার্ড পুষতে পারেন। বাড়িতে যদি ছোট বাচ্চা থাকে, তাহলে তাদের সঙ্গ দেওয়র জন্য বিগল, পাগ, গোল্ডেন রিট্রিভার, ল্যাব্রাডর পুষুন। এরা অত্যন্ত অনুভূতিপ্রবণ ও শিশুদের ভালবাসে। বয়স্কদের জন্য ছোট কুকুর কেনাই ভাল।
• ছবি দেখে অনেক কিছুই ভাললাগে। কিন্তু বাস্তবের ছবিটা বদলে যায়। টিভি, ইন্টারনেটে কুকুরদের সুন্দর ছবি দেখে তাকে পোষ্য রাখার কথা ভাববেন না। পোষ্যের দেখভাল করা বড় দায়িত্ব। তাকে সময় দিতে হয়, পরিষ্কার রাখতে হয়। অসুখে যত্ন করতে হয়। না পারলে কষ্ট দেবেন না।
সাক্ষাৎকার: মোনালিসা ঘোষ।