Advertisement
E-Paper

১০০ ঘণ্টারও কম সময়ে ইরানের ২০০০ জায়গায় হামলা, ধ্বংস নৌসেনার ১৭ জাহাজ! হুঁশিয়ারি দিয়ে দাবি মার্কিন সেনার

আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর সূত্রে দাবি করা হয়েছে, এই সামরিক সংঘাতের শুরু থেকেই তাদের লক্ষ্য ছিল যে ভাবেই হোক ইরানের নৌসেনাকে দমাতে হবে। আর সেটাই করে দেখানো হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬ ১০:৪৮
তেহরানে মার্কিন হামলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে ইমারত। ছবি: পিটিআই।

তেহরানে মার্কিন হামলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে ইমারত। ছবি: পিটিআই।

সামরিক সংঘাত শুরুর ১০০ ঘণ্টারও কম সময়ে ইরানের দু’হাজার জায়গাকে নিশানা বানিয়েছে তারা। শুধু তা-ই নয়, সে দেশের নৌসেনার একটি ডুবোজাহাজ-সহ মোট ১৭টি জাহাজ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আবার দাবি করল আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। একইসঙ্গে তারা দাবি করেছে, বি১, বি২ বম্বার দিয়ে ইরানের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ও করা হয়েছে। মার্কিন নৌসেনাকর্তা অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার একটি ভিডিয়োবার্তায় এমনই দাবি করেছেন।

তাঁর কথায়, ‘‘ইরানের নৌসেনাকে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছি আমরা। গোটা নৌবাহিনীকে ডুবিয়ে ছাড়ব। ইতিমধ্যেই ১৭টি জাহাজকে ধ্বংস করা হয়েছে। একটি সাবমেরিনকেও নিশানা বানানো হয়েছে।’’ ইরানের বিরুদ্ধে ‘এপিক ফিউরি’ অভিযান চালাচ্ছে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। এই অভিযান প্রসঙ্গে অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানিয়েছেন, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। কুপারের দাবি, বি১, বি২ বম্বারকে কাজে লাগিয়ে হামলা আরও ধারালো করা হয়েছে ইরানের বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের এখন একটাই লক্ষ্য, আমাদের নিশানা বানানোর চেষ্টা করলে, তা দ্বিগুণ ভাবে ফিরিয়ে দেওয়া হবে প্রতিপক্ষকে।’’

আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর সূত্রে দাবি করা হয়েছে, এই সামরিক সংঘাতের শুরু থেকেই তাদের লক্ষ্য ছিল যে ভাবেই হোক ইরানের নৌসেনাকে দমাতে হবে। আর সেটাই করে দেখানো হয়েছে। কুপার জানিয়েছেন, এই সামরিক অভিযানে ৫০ হাজার মার্কিন সেনাকে মোতায়েন করা হয়েছে। ২০০টিরও বেশি যুদ্ধবিমানকে এই অভিযানে শামিল করা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে লক্ষ্য করে ৫০০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। দুই দেশে হামলা চালাতে ২০০০ আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করেছে। কুপারের কথায়, ‘‘আমাদের সঙ্গে কোনও ভাবে এঁটে উঠতে পারছে না ইরান।’’ আমেরিকার এই দাবিকে পুরোপুরি নস্যাৎ করে ইরান পাল্টা দাবি করেছে, আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সেনাঘাঁটিগুলিকে একের পর এক নিশানা বানানো হয়েছে। কয়েকশো সেনার মৃত্যু হয়েছে। যদিও এই সেনা মৃত্যুর খবর স্বীকার করেনি আমেরিকা।

Iran US
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy