পর পর তিন দিন আকাশসীমানায় তিনটি লক্ষ্যবস্তুকে ফাইটার জেট দিয়ে গুলি করে নামিয়েছে আমেরিকার বায়ুসেনা। এর নেপথ্যে কারা, তা নিয়ে চলছে তদন্ত। এর মধ্যে ভিন্গ্রহী থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না আমেরিকা। অন্তত, উত্তর আমেরিকার দায়িত্বে থাকা বায়ুসেনা প্রধান জেনারেল গ্লেন ভ্যানহার্কের বক্তব্য তেমনই।
রবিবার পেন্টাগনে এক সাংবাদিক বৈঠকে জেনারেল ভ্যানহার্ক বলেন, ‘‘আমি সমস্ত সম্ভাবনার কথাই মাথায় রেখেছি। তাই এ নিয়ে সমস্ত প্রকারের তদন্ত হচ্ছে। গোয়েন্দারা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন।’’
আমেরিকার আকাশে পর পর রহস্যজনক উড়ন্ত বস্তু দেখতে পাওয়া গিয়েছে। আমেরিকা-কানাডা সীমান্তে গত এক সপ্তাহের মধ্যেই এমন তিনটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। যার প্রেক্ষিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নির্দেশ দিয়েছেন, এই ধরনের রহস্যজনক বস্তুকে দেখা মাত্রই গুলি করতে হবে।
কানাডা-মার্কিন সীমান্তে মার্কিন সেনাবাহিনী রহস্যজনক বস্তুকে দেখেই ফাইটার জেট যুদ্ধবিমান থেকে গুলি করে নামায়। এর মধ্যে মার্কিন-কানাডিয়ান সীমান্তে হুরন হ্রদের উপর একটি উড়ন্ত বস্তুকে আমেরিকার সেনাবাহিনী এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দিয়ে আক্রমণ করে। সেই বস্তু আসলে কী, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।
আরও পড়ুন:
প্রথম থেকে অবশ্য আমেরিকার অভিযোগ ছিল, হোয়াইট হাউসের গোপন তথ্য জানতে হানা দিচ্ছে চিনের গুপ্তচর বেলুন। আমেরিকার পর লাতিন আমেরিকার আকাশেও দেখা যায় ওই একই রকম বেলুন। যার প্রেক্ষিতে আমেরিকা ও চিনের সম্পর্ক চরমে উঠেছে। যদিও প্রথম বেলুনটি তাদেরই বলে জানায় চিন। কিন্তু গুপ্তচরবৃত্তির আশঙ্কা উড়িয়ে দেয় তারা। বেজিং জানায় উড়তে উড়তে আমেরিকার আকাশে ঢুকে পড়ে বেলুনটি। এর সঙ্গে গুপ্তচরবৃত্তির কোনও যোগ নেই।