Advertisement
E-Paper

ইরানের দাবি মেনে নিল আমেরিকা! তুরস্ক নয়, পরমাণু চুক্তি নিয়ে শুক্রবার থেকে আলোচনা শুরু হচ্ছে ওমানে

মঙ্গলবার আরব সাগরে ইরানের একটি ড্রোনকে ধ্বংস করে মার্কিন যুদ্ধবিমান। তার পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন যে, ইরানের সঙ্গে তাঁদের বোঝাপড়া চলছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:১৪
Amid tension Nuclear talks between US and Iran to take place in Oman on Friday

(বাঁ দিকে) আয়াতোল্লা খামেনেই এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

দেশজোড়া গণবিক্ষোভ আর সামরিক সংঘাতের আবহে পরমাণু চুক্তি নিয়ে আবার আমেরিকার সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের ইরান। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে পশ্চিম এশিয়ার দেশ ওমানে ওই বৈঠক বসতে চলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির আলোচনায় থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রাথমিক ভাবে সামরিক জোট নেটোর ইউরোপীয় সদস্যরাষ্ট্র তুরস্কে এই আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আপত্তি জানায় তেহরান। শেষ পর্যন্ত সেই দাবি মেনেই ওমানে শুরু হচ্ছে আলোচনা। যদিও ওয়াশিংটনের প্রস্তাব মেনে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ-সহ যাবতীয় পরমাণু কর্মসূচি ‘সম্পূর্ণ বন্ধ’ করতে তেহরান সম্মত হবে কি না, তা নিয়ে কয়েকটি পশ্চিমি সংবাদমাধ্যম ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার আরব সাগরে ইরানের একটি ড্রোনকে ধ্বংস করে মার্কিন যুদ্ধবিমান। তার পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন যে, ইরানের সঙ্গে তাঁদের বোঝাপড়া চলছে।

ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে দক্ষিণ চিন সাগর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল নিমিৎজ-শ্রেণির ওই বিমানবাহী রণতরী। সঙ্গী তিনটি আর্লে বার্ক-শ্রেণির ডেস্ট্রয়ারও পশ্চিম এশিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। গত সপ্তাহে তারা ইরান উপকূলের অদূরে অবস্থান নিয়েছে। তার পরেই রবিবার থেকে আরব সাগর লাগোয়া হরমুজ প্রণালীতে ‘লাইভ ফায়ার ড্রিল’ (সরাসরি গোলাবর্ষণ মহড়া) শুরু করেছিল ইরানের নৌসেনা। সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সেই মহড়া চলাকালীন ইরানের একটি শাহিদ-১৩৯ ড্রোনটি লিঙ্কনের দিকে উড়ে যাওয়ার সময় একটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সেটিতে গুলি করে নামায়।

গত বছরের ২ এপ্রিল ওমানের রাজধানী মাসকটে পরমাণু চুক্তি নিয়ে প্রথম বার মুখোমুখি আলোচনায় বসেছিলেন স্টিভ এবং আরাঘচি। কিন্তু তা কার্যত নিষ্ফল হয়েছিল। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেই এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েকশিয়ানকে ইতিমধ্যেই ট্রাম্প হুমকি দিয়ে রেখেছেন, পরমাণু চুক্তিতে সই না করলে সামরিক আগ্রাসনের মুখোমুখি হতে হবে। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস হ্যারি ট্রুম্যান, ইউএসএস কার্ল ভিনসনের পাশাপাশি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনকেও পাঠানো উপসাগরীয় অঞ্চলে। পাশাপাশি, অভ্যন্তরীণ অশান্তির জেরেও চাপে রয়েছে ইরান। গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে রক্তক্ষয়ী গণবিক্ষোভ চলছে সে দেশে। কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, ২৫ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে খুন করেছে খামেনেই-পেজ়েকশিয়ানের বাহিনী।

US-Iran Relation Nuclear deal Iran US-Iran Conflict Oman Ayatollah Ali Khamenei
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy