Advertisement
E-Paper

ঢাকায় বিএনপি-র শাখা সংগঠনের নেতাকে গুলি করে খুন, গুলিবিদ্ধ আর‌ও এক জন! বাংলাদেশে রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত

আজিজুর স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজারে আজিজুরের সঙ্গে গুলিবিদ্ধ হন কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ানও।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০০:০৯

— প্রতীকী চিত্র।

আবার এক নেতাকে গুলি করে খুন করা হল বাংলাদেশে। ঘটনাটি বুধবার রাত সওয়া ৮টা নাগাদ ঢাকার তেজগাঁওয়ের তেজতুরি বাজার এলাকায় ঘটেছে। এই ঘটনায় দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন যার মধ্যে নিহত ব্যক্তি আজিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বি ছিলেন বিএনপি-র শাখা সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা। অন্য জনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনায় দুষ্কৃতীরা এখনও পলাতক।

নিহত আজিজুর রহমান।

নিহত আজিজুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত।

আজিজুর স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজারে আজিজুরের সঙ্গে গুলিবিদ্ধ হন কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ানও। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা আজিজুরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর পেটে গুলি লেগেছিল। অন্য দিকে, সুফিয়ানকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

পুলিশের তেজগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’কে বলেন, “স্টার কাবাবের পাশের ওই গলিতে দু’জনকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমানের পেটে গুলি লেগেছে। তাঁকে উদ্ধার করে পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।”

এ ঘটনার পর কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করেন স্থানীয়েরা। অবরোধের ফলে ওই রাস্তা দিয়ে যান চলাচল ব্যাহত হয়। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ সেনাবাহিনী এসে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল আবার শুরু হয়। যদিও বিক্ষোভ থামেনি। পরে আবার বিক্ষোভকারীরা রাস্তা আটকান। উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিলে তাঁদের ঘিরে রেখেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার বাংলাদেশে বিএনপি নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনা ঘটে যশোরের শঙ্করপুর এলাকায়। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ সূত্রে জানা গিয়েছে, যশোর পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আলমগীর হোসেন। সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ তিনি মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময়েই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। আলমগীরের মাথার দু’পাশে দু’টি গুলির ক্ষত ছিল।

Bangladesh Situation Bangladesh Gun Shot
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy