Advertisement
E-Paper

ফায়দা তুলতে সক্রিয় বিজেপি

ঢাকা-কাণ্ডকে হাতিয়ার করে এ রাজ্যে মেরুকরণের রাজনীতিতে নেমে পড়ল বিজেপি। অতি সম্প্রতি ঢাকায় রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীকে জঙ্গি গোষ্ঠীর হুমকি চিঠির পরও ভারতের পরিবেশকে সংযত রাখার বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০১৬ ০৩:১৫

ঢাকা-কাণ্ডকে হাতিয়ার করে এ রাজ্যে মেরুকরণের রাজনীতিতে নেমে পড়ল বিজেপি। অতি সম্প্রতি ঢাকায় রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীকে জঙ্গি গোষ্ঠীর হুমকি চিঠির পরও ভারতের পরিবেশকে সংযত রাখার বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু প্রতিবেশী দেশে একের পর এক পুরোহিত হত্যা এবং তার পর শুক্রবার রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমণের জেরে রাজ্য বিজেপি উজ্জীবিত। সন্ত্রাসের কারণে ও পার বাংলা যখন বিপন্ন, তখন এ পার বাংলায় সম্প্রীতি বজায় রাখার পরিবর্তে পুরোদস্তুর বিভাজনের কৌশলে নেমে পড়েছে তারা।

বিজেপি-র তরফে কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী শনিবার তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘খেজুর আর বোমা একসঙ্গে চলতে পারে না। এ রাজ্যে সংখ্যালঘু তোষণ নীতি বন্ধ করতে হবে। আর ঢাকায় সন্ত্রাসবাদী হানার পর এ রাজ্যে লাল সতর্কতা জারি করে লাভ নেই। আগে থেকেই রাজ্য সরকারকে তৎপর হতে হবে। রাজ্যের সব এজেন্সিকে সক্রিয় করতে হবে। যাতে এ রাজ্যে সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটতেই না পারে।’’ বিজেপি-র সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার ঢাকা-কাণ্ডের প্রসঙ্গে পাঁচটি প্রশ্ন তুলেছেন, যার নির্যাস— বাংলাদেশের সংখ্যালঘু এবং এ

রাজ্যে সংখ্যাগুরুদের উপর সন্ত্রাসে তৃণমূল, বাম, কংগ্রেস এবং বিদ্বজ্জনেরা নীরব কেন? বস্তুত, রাজনৈতিক শিবিরের মতে, মেরুকরণই এ রাজ্যে দলের দুর্বল সংগঠনকে চাঙ্গা করার সবচেয়ে ভাল উপায় বলে মনে করছে বিজেপি। আর বাংলাদেশে একের পর এক সন্ত্রাসের ঘটনা তাদের ওই কৌশলে অক্সিজেন জোগাচ্ছে। তবে তৃণমূল নেতৃত্বের মতে, এ রাজ্যে বিজেপি-র ওই কৌশল সফল হবে না।

কারণ, এখানকার মানুষ বিভেদকামী নন। তা ছাড়া, বিজেপি-র বিভেদের কৌশল সম্পর্কে দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

BJP
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy