Advertisement
E-Paper

ওয়াইন-গাড়ি-ছুরির নেশায় মত্ত ব্র্যাঞ্জেলিনার দস্যিরাও

‘ওয়ান ফ্লিউ ওভার দ্য কুকুস নেস্ট’— ছয় সন্তানকে নিয়ে ‘ব্র্যাঞ্জেলিনা’র সংসারের কথা বলতে গিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে মিলোস ফরম্যানের এই ছবিটির কথাই টেনে এনেছিলেন ব্র্যাড পিট। মজা করেই বলেছিলেন, মানসিক প্রতিবন্ধীদের হাসপাতালকে নিয়ে তৈরি হওয়া ওই ছবির সঙ্গে তাঁর বাড়ির পরিবেশের দিব্যি মিল পান তিনি!

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:০০
বিয়ের পরে ছয় সন্তানের সঙ্গে ব্র্যাঞ্জেলিনা।

বিয়ের পরে ছয় সন্তানের সঙ্গে ব্র্যাঞ্জেলিনা।

‘ওয়ান ফ্লিউ ওভার দ্য কুকুস নেস্ট’— ছয় সন্তানকে নিয়ে ‘ব্র্যাঞ্জেলিনা’র সংসারের কথা বলতে গিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে মিলোস ফরম্যানের এই ছবিটির কথাই টেনে এনেছিলেন ব্র্যাড পিট। মজা করেই বলেছিলেন, মানসিক প্রতিবন্ধীদের হাসপাতালকে নিয়ে তৈরি হওয়া ওই ছবির সঙ্গে তাঁর বাড়ির পরিবেশের দিব্যি মিল পান তিনি! বলেছিলেন, ‘‘আমাদের বাড়িতে ও ভাবেই সকাল হয়। চিৎকার-চেঁচামেচি চলে সন্ধে পর্যন্ত। আর কখনও কখনও তার পরেও!’’ বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে মজা করে বলেছিলেন, সন্তানদের সামলাতে ‘নিয়মিত মারধর করি’, ‘খেতেও দিই না মাঝেমাঝে’।

তখন কি তিনি জানতেন, কয়েক বছর পর এই ছেলেমেয়েদের প্রশ্নেই ইতি প়ড়বে ব্র্যাড পিট-অ্যাঞ্জেলিনা জোলির রূপকথার দাম্পত্যে? জানতেন কি, বাবার প্রভাব থেকে ছেলেমেয়েদের বাঁচাতে ব্র্যাডকে ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন জোলি?

মার্কিন একটি ওয়েবসাইটের দাবি, বাচ্চাদের বড় করার ক্ষেত্রে পিটের আচার-আচরণ দেখে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন জোলি। অতিরিক্ত মাদক সেবন ও মদ্যপানের জেরে পিট ঘনঘন রেগে যেতেন। জোলির বক্তব্য, সেই রাগের প্রভাব পড়ত ছেলেমেয়েদের উপরে। একটি পত্রিকার দাবি, জোলির অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই ব্র্যাডের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে লস অ্যাঞ্জেলেসের শিশু ও পরিবার বিভাগ। সেই প্রতিবেদনে ব্র্যাডের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ‘‘বিষয়টি ব্র্যাডের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাচ্চাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে ব্র্যাড।’’ নাম না করেই জোলিকে এক হাত নিয়ে সেই বন্ধুর দাবি, ‘‘যে-ভাবে ব্র্যাডকে এর মধ্যে খলনায়ক করে তোলা হচ্ছে, তা দুর্ভাগ্যজনক।’’

‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথের’ সন্তানদের দেখভালেরজন্য ছিলেন ছ’জন আয়া, এক জন গৃহশিক্ষক ও এক জন রাঁধুনি। পড়শিরা জানাচ্ছেন, দস্যি ছেলেমেয়েদের তাণ্ডবে অনেক পরিচারিকা কাজ ছেড়ে চলেও গিয়েছেন।

দম্পতির বাড়ির এক পরিচারিকার কথায়, ব্র্যাড-অ্যাঞ্জেলিনা দু’জনেই খুব অল্পে রেগে যান। দম্পতির নিজের তিন সন্তান শিলো (১০) এবং নক্স ও ভিভিয়েন (৮) ছাড়া দত্তক নেওয়া ম্যাডক্স (১৫), পাক্স (১২) এবং জাহারা (১১)— কেউই নিয়ম-কানুন, সহবতের ধার ধারে না। ম্যাডক্স এখনই ওয়াইনের গ্লাসে চুমুক দিতে শিখেছে। বাড়ির বিরাট লনে গাড়িও চালায় সে। ওই পরিচারিকার কথায়, ‘‘বাচ্চাদের উপর বাবা-মার কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই। তারা ইচ্ছে মতো যেখানে খুশি যায়। ছুরি নিয়ে খেলা করে।’’ ম্যাডক্সের যে অস্ত্র আর মার্শাল আর্টের দিকে ঝোঁক রয়েছে, সে কথা জানেন পাড়া-পড়শিরাও। জোলি একবার বলেছিলেন, সাত বছর বয়সেই ছুরি সংগ্রহ করার নেশা তৈরি হয় ম্যাডক্সের। জোলি নিজেই তাকে কয়েকটা ছুরি কিনে দিয়েছিলেন।

সব মিলিয়ে বাবা-মা হওয়ার দায়িত্ব পালনেই সুর কাটল ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথে’র— বলছেন ঘনিষ্ঠরা।

Angelina Jolie Brad pitt Investigation Child abuse FBI
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy