ভেনেজ়ুয়েলার প্রেসিডেন্টের সরকারি প্রাসাদের কাছে গোলাগুলি। ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এল ড্রোনও! একাধিক সংবাদসংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে, সোমবার রাত থেকেই নিকোলাস মাদুরোর বাসভবনের কাছে গুলি চলার খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে কী কারণে, এমন ঘটনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শনিবার রাতে ভেনেজ়ুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়ে মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়া আমেরিকার অবশ্য দাবি, তারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়।
ভেনেজ়ুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রোড্রিগেস সোমবারই সে দেশের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নিয়েছেন। তার পরেই প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের কাছে গুলি চলা এবং ড্রোন ওড়ার ঘটনাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ মিরাফ্লোরেস প্যালেসের উপর দিয়ে ড্রোন উড়ে গিয়েছে। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বেশ কয়েকটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে রাতের অন্ধকারে ছোট আলোকবিন্দুর মতো ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসছে ড্রোন। যদিও এই ভিডিয়োগুলির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সংবাদসংস্থা সিএনএন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের কাছে নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে একটা ‘ভুল বোঝাবুঝি’ হয়েছিল। তার জেরেই এই ঘটনা। তবে ভেনেজ়ুয়েলা প্রশাসনের তরফে এই খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি। কেবল বলা হয়েছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
শনিবার রাতে ভেনেজ়ুয়েলার রাজধানী কারাকাসে সেনা অভিযান চালিয়ে মাদুরোকে অপহরণ করেছে আমেরিকা। বোমাও ফেলেছে কারাকাসে। আমেরিকার আইন অনুযায়ী, মাদুরোর বিচার পর্ব শুরু হয়েছে নিউ ইয়র্কের আদালতে। ট্রাম্পের দাবি, আগে তাঁরা ভেনেজ়ুয়েলায় সংস্কারের কাজ করবেন। তার পরেই সেখানে ভোট হবে। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কথায়, “আমাদের আগে ওই দেশটিকে (ভেনেজ়ুয়েলাকে) ঠিকঠাক করতে হবে। এখন সেখানে নির্বাচন করা যাবে না। এখন সেখানে সাধারণ মানুষের পক্ষে ভোট দেওয়া কোনও ভাবেই সম্ভব নয়।”