Advertisement
E-Paper

গ্রিনল্যান্ডের উপর ডেনমার্কের অধিকার নিয়েই প্রশ্ন হোয়াইট হাউসের, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপের পাশে দাঁড়াল ব্রিটেন, জার্মানি

ট্রাম্পের হুমকি-হুঁশিয়ারির মধ্যেই গ্রিনল্যান্ডের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলি। যৌথ ঘোষণাপত্রে ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, ব্রিটেন, স্পেন, পোল্যান্ড জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড এবং ডেনমার্কের ভবিষ্যৎ এবং পারস্পরিক সম্পর্ক কেমন হবে, তা ঠিক করবে ওই দুই দেশই।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৫৭
ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।

গ্রিনল্যান্ডের মার্কিন কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে নতুন যুক্তি দিল হোয়াইট হাউস। রবিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও এক বার নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়ে বলেছিলেন, “আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন। এখন এটা কৌশলগত ব্যাপার।” সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সুরে সুর মিলিয়ে হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ স্টিফেন মিলার জানান, আমেরিকার গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন। তার কারণ ব্যাখ্যা করে এমন একটি যুক্তি দিয়েছেন তিনি, যা অতীতে ট্রাম্পের মুখে শোনা যায়নি।

মিলার বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের উপর ডেনমার্কের অধিকার নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। জানান, সামরিক জোট নেটোর প্রথম সারির সামরিক শক্তি হিসাবে আমেরিকা মেরুপ্রদেশের স্বার্থকে রক্ষা করতে চায়। আর সেই কারণেই নাকি গ্রিনল্যান্ডের উপর আমেরিকার নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা প্রয়োজন।

মিলারের স্ত্রী কেটি সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি মানচিত্রের ছবি পোস্ট করেন। ওই মানচিত্রে গ্রিনল্যান্ডকে আমেরিকার পতাকার রঙে রাঙানো হয়েছে। ছবির সঙ্গে লেখা ‘শীঘ্রই’। এই পোস্ট নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে আমেরিকায়। এই প্রসঙ্গে কার্যত স্ত্রীকে সমর্থন করে মিলার বলেন, “প্রেসিডেন্ট কয়েক মাস আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আমাদের নিরাপত্তাবেষ্টনীতে গ্রিনল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।”

রবিবার ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত মন্তব্যের পরেই গর্জে উঠেছিলেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডরিকসেন। ট্রাম্পকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেছিলেন, হুমকি দেওয়া বন্ধ করুন। সোমবার আরও এক ধাপ এগিয়ে নেটোর ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, “আমেরিকা যদি নেটোর অন্য কোনও সদস্যরাষ্ট্রকে আক্রমণ করে, তা হলে সব কিছু বন্ধ হয়ে যাবে।” প্রসঙ্গত, ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ৫৬ হাজার জনসংখ্যার গ্রিনল্যান্ড প্রায় ৩০০ বছর ধরে কোপেনহাগেন (ডেনমার্কের রাজধানী)-এর নিয়ন্ত্রণে। ডেনমার্ক কেবল নেটোর সদস্যরাষ্ট্রই নয়, আমেরিকার ঘনিষ্ঠ দেশ হিসাবেও পরিচিতি ছিল তার।

অন্য দিকে, ট্রাম্পের হুমকি-হুঁশিয়ারির মধ্যেই গ্রিনল্যান্ডের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলি। যৌথ ঘোষণাপত্রে ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, ব্রিটেন, স্পেন, পোল্যান্ড জানিয়েছে, মেরু অঞ্চলের নিরাপত্তা ইউরোপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভবিষ্যতেও গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষা করার বিষয়ে সহমত হয়েছে এই দেশগুলি। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গ্রিনল্যান্ড এবং ডেনমার্কের ভবিষ্যৎ এবং পারস্পরিক সম্পর্ক কেমন হবে, তা ঠিক করবে ওই দুই দেশই।

Donald Trump Greenland Denmark
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy