Advertisement
E-Paper

ক্যারিবীয় অঞ্চলে ২৫০০ সেনা, রণতরী, যুদ্ধবিমান মোতায়েন! কিউবায় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি আমেরিকার?

প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাত যখন চরমে, গত মার্চে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইরান যুদ্ধ শেষ হলেই কিউবার উপর নজর দেওয়া হবে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ মে ২০২৬ ১৫:৩২
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

ক্যারিবীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি রণতরী, সেনা এবং যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা শুরু করেছে আমেরিকা। এমনই দাবি করা হয়েছে পলিটিকো-র এক প্রতিবেদনে। আর সেই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসতেই জল্পনা জোরালো হতে শুরু করেছে, তা হলে কি এ বার কিউবায় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন বাহিনী? ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, যদি সামরিক অভিযান চালানোর মতো পরিস্থিতি আসে, তা হলে যেন তৎপরতার সঙ্গে সেই অভিযানে নামা যায়, তার একটা প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে পেন্টাগন।

প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাতের বেশ কিছু সময় আগে থেকেই সেনা, রণতরী মোতায়েন করা শুরু করেছিল আমেরিকা। সেই সময়েও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর তৎপরতায় জল্পনা ছড়িয়েছিল। কার্যক্ষেত্রে দেখা যায়, তার কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানে সামরিক অভিযানে নামে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। সেই সংঘাত এখনও চলছে। আর এই সংঘাতের আবহেই ক্যারিবীয় অঞ্চলে আমেরিকা সেনা মোতায়েন করায় আরও এক সামরিক অভিযানের জল্পনা বাড়ছে। এবং সেটি কিউবাকে ঘিরে।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্যারিবীয় অঞ্চলে পৌঁছেছে মার্কিন রণতরী ইউএসএস নিমিৎজ়। এ ছাড়াও ২৫০০ মেরিন সেনা নিয়ে ক্যারিবীয় অঞ্চলের দিকে রওনা হয়েছে রণতরী ইউএসএস কিয়ারসার্জ। পেন্টাগনের এক শীর্ষ কর্তা মার্ক কানসিয়ান ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, প্রাথমিক ভাবে হামলা প্রতিরোধের জন্য এই রণতরীকে মোতায়েন করা হয়েছে। তবে প্রয়োজনে সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা হবে। তবে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে গত ১০ মাসেরও বেশি সময় ধরে বেশ কিছু মার্কিন রণতরী মোতায়েন রয়েছে। পালা করে এখানে রণতরী মোতায়েন করে আমেরিকা। কিন্তু সম্প্রতি যে ভাবে ওই অঞ্চলে সেনা তৎপরতা বাড়িয়েছে আমেরিকা, তাতে আরও এক সামরিক অভিযানের জল্পনাকে উস্কে দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাত যখন চরমে, গত মার্চে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইরান যুদ্ধ শেষ হলেই কিউবার উপর নজর দেওয়া হবে। সেই সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, সে দেশের কমিউনিস্ট জমানার পতন শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিউবাকে ‘দুর্বল’ দেশ বলেও উল্লেখ করেছিলেন ট্রাম্প। এ ছাড়াও ভেনেজ়ুয়েলায় সামরিক অভিযানের পর পরেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছিলেন কিউবা দখল শুধু সময়ের অপেক্ষা। ফলে ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর তৎপরতায় ট্রাম্পের সেই হুঁশিয়ারি স্মরণ করিয়ে দিল।

US-Cuba
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy