যে কোনও সময় তাঁকে গ্রেফতার করতে পারে পুলিশ। এই আশঙ্কায় প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বাড়ি শুক্রবার রাতভর ঘেরাও করে রাখলেন তাঁর অনুগামীরা। শনিবার সকাল থেকেও লাহোরের জার্মান পার্ক এলাকায় পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর প্রধানের বাড়ির সামনে নতুন করে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেছেন তাঁর অনুগামীরা।
স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি থাকা অবস্থাতেই শুক্রবার রাতে ইমরান সমাজমাধ্যমে এক ভিডিয়ো বার্তায় তাঁর অনুগামীদের রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ আন্দোলনে শামিল হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে পাকিস্তান জুড়ে ‘জেল ভরো আন্দোলন’ শুরু করার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। পিটিআইয়ের সমর্থকদের নিয়ে পাক নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে হিংসাত্মক বিক্ষোভ কর্মসূচির অভিযোগ রয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরানের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন:
ওই অভিযোগে ইমরান-সহ কয়েক জন পিটিআই নেতার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা রুজু করেছিল পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার। গ্রেফতারি এড়াতে পাক সন্ত্রাস দমন আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন ইমরান। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় লাহোর হাই কোর্টে আইনজীবী মারফত আবেদন জানাতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিচারপতি সেলিম জানিয়ে দেন, আবেদন জানাতে হলে ইমরানকে সশীরের হাজির হতেই হবে।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী পদে থাকাকালীন বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের কাছ থেকে পাওয়া উপহার বেআইনি ভাবে বিক্রি করার অভিযোগে গত অক্টোবরে পাক পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ‘ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি’ থেকে ইমরানকে বরখাস্ত করেছিল সে দেশের নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি জানানো হয়েছিল, ইমরান পরবর্তী ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। সে সময় কমিশনের ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছিলেন ইমরানের অনুগামীরা।