Advertisement
E-Paper

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে ঢাকায় বৈঠক ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের, একই দিনে পাকিস্তান থেকেও ফোন তারেক সরকারকে

রবিবার বাংলাদেশের নতুন সরকারের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রণয়। বাংলাদেশের নতুন বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে এটিই ছিল তাঁর প্রথম বৈঠক।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:০০
(বাঁ দিক থেকে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

(বাঁ দিক থেকে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। —ফাইল চিত্র।

বাংলাদেশের সঙ্গে যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে চায় ভারত, তা আগেই স্পষ্ট করেছে নয়াদিল্লি। ঢাকা থেকেও তেমনই আভাস মিলেছে। এ বার সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে বৈঠক সারলেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রণয় বর্মা। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে একই দিনে ইসলামাবাদ থেকেও ফোন আসে ঢাকায়।

রবিবার বাংলাদেশের নতুন সরকারের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রণয়। বাংলাদেশের নতুন বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে এটিই ছিল তাঁর প্রথম বৈঠক। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গত দেড় বছরে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের বেশ কিছু ক্ষেত্রে টানাপড়েন সৃষ্টি হয়। তবে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ফের মজবুত করতে আগ্রহী হয়েছে দু’দেশই। রবিবার বিকেলে খলিলুরের সঙ্গে প্রণয়ের সাক্ষাৎ সেটিই ফের স্পষ্ট করল বলে মনে করছেন অনেকে।

পারস্পরিক স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে গঠনমূলক এবং ভবিষ্যন্মুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় দিল্লি এবং ঢাকা। বৈঠকের পরে প্রণয় বলেন, “আমরা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। আজ বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরে আমি আমাদের সেই অবস্থান পুনরায় স্পষ্ট করছি।”

ভারতীয় রাষ্ট্রদূত আরও জানান, দিল্লি সকল জনমুখী ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে চায়। তিনি বলেন, “পারস্পরিক স্বার্থ এবং সুবিধার কথা বিবেচনা করে ইতিবাচক, গঠনমূলক ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।” যদিও এই বৈঠককে একটি প্রাথমিক আলোচনা এবং সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসাবেই বর্ণনা করছেন প্রণয়। তবে নতুন সরকার গঠন পরবর্তী সময়ে দিল্লি-ঢাকা সম্পর্কের নিরিখে এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তারেক রহমানের জয়ের পরেই তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মোদী। দুই দেশপ্রধানের ফোনেও কথা হয়েছিল। সে কথাও স্মরণ করিয়ে দেন প্রণয়।

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক মসৃণ রাখতে তৎপর হয়েছে পাকিস্তানও। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী তথা উপপ্রধানমন্ত্রী ইশাক দার রবিবার ফোন করেন খলিলুরকে। পাক বিদেশ মন্ত্রকের সমাজমাধ্যম পাতায় ওই ফোনালাপের কথা জানানো হয়। ইসলামাবাদের দাবি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নত করার জন্য ঢাকার সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের।

Bangladesh India Bangladesh Ties Pakistan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy