Advertisement
E-Paper

আবু সাঈদ হত্যায় মৃত্যুদণ্ড প্রাক্তন দুই পুলিশকর্মীর! হাসিনা জমানার গণঅভ্যুত্থানে বন্দুকের সামনে বুক পেতে দেন ছাত্রনেতা

বৃহস্পতিবার আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত ৩০ জনের মধ্যে তিন জনকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:১৫
পুলিশের বন্দুকের সামনে বুক পেতে দাঁড়িয়ে আবু সাঈদ।

পুলিশের বন্দুকের সামনে বুক পেতে দাঁড়িয়ে আবু সাঈদ। — ফাইল চিত্র।

শেখ হাসিনার জমানায় আন্দোলনের সময়ে পুলিশের বন্দুকের সামনে বুক পেতে দেওয়া সেই আবু সাঈদের হত্যায় প্রাক্তন দুই পুলিশকর্মীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার সেই রায় ঘোষণা করেছে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন ৩০ জন। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের প্রাক্তন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং প্রাক্তন কনস্টেবল সুজনচন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁরা দু’জনেই এখন জেলে রয়েছেন। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেছে। এই মামলায় যাঁরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য মহম্মদ হাসিবুর রশীদ, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার, ওই দফতরের কর্মী, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের (আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন) নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য রশীদ-সহ ২৪ জন দোষী পলাতক।

বাংলাদেশে হাসিনা জমানায় সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে গত বছরের জুলাই মাসে আন্দোলনে নেমেছিলেন সে দেশের পড়ুয়ারা। সেই আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র সাঈদ। গত ১৬ জুলাই রংপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন পুলিশের রাবার বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন তিনি। ছোট্ট বাঁশের লাঠি নিয়ে দু’হাত প্রসারিত করে পুলিশের উদ্যত বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু পুলিশের বন্দুক থেকে ছুটে আসা রাবার বুলেটের আঘাতে লুটিয়ে পড়েছিলেন মাটিতে।

Advertisement

মৃত্যুর ঠিক আগে পুলিশবাহিনীর লাঠি-বন্দুকের সামনে দু’হাত ছড়িয়ে অকুতোভয় সাঈদের সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, পরবর্তী সময়ে ছাত্র আন্দোলন জোরদার করে তোলার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিয়েছিল পুলিশের বন্দুকের নলের সামনে এমন বুক টান টান করে দাঁড়িয়ে থাকা সাঈদের সেই প্রতিবাদের ছবি।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy