Advertisement
E-Paper

এক বছরের মধ্যে দু’বার হামলা লশকরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হামজ়ার উপর! জঙ্গি সংগঠনের অন্তর্দ্বন্দ্বের শিকার? বাড়ছে রহস্য

২০১৮ সালে লশকর পোষিত জামাত-উদ-দাওয়া এবং ফালহা-ই-ইনসানিয়ত নামে দু’টি সংস্থায় যখন আর্থিক বিধিনিষেধ চাপানো হয়েছিল, তখন লশকরের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা শুরু করেন হামজ়া।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩১
লশকরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজ়া গুলিবিদ্ধ। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

লশকরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজ়া গুলিবিদ্ধ। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লশকর-এ-ত্যায়বার সহ-প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজ়া কি অন্তর্দ্বন্দ্বের শিকার? বৃহস্পতিবার লাহৌরে তাঁর উপর গুলি চলার ঘটনার পর থেকেই এই তত্ত্ব জোরালো হতে শুরু করেছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে লশকর পোষিত জামাত-উদ-দাওয়া এবং ফালহা-ই-ইনসানিয়ত নামে দু’টি সংস্থায় যখন আর্থিক বিধিনিষেধ চাপানো হয়েছিল, তখন লশকরের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা শুরু করেন হামজ়া। তার পর নিজের একটি আলাদা দল গঠন করেন। নাম দেন জইশ-ই-মানকফা। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, সংগঠনের অন্দরেই একটা টানাপড়েন চলছিল। সেই টানাপড়েনের শিকার হয়েছেন হামজ়া। গত বছরের মে মাসেও হামজ়ার উপর হামলা চালানো হয়। সেই সময়েও অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিলেন লশকরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

হামজ়ার উপর হামলার ঘটনায় সরব হয়েছে পাকিস্তান মরকজ়ি মুসলিম লিগ (পিএমএমএল)। এটি লশকর প্রধান হাফিজ সইদের নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার ছায়া সংগঠন। তারা হামজ়ার হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালের লশকরের সকলের প্রিয় হামজ়ার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মতানৈক্যের সৃষ্টি হয় হাফিজ় সইদের। আর সেই ঘটনার রেশ টেনে বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে, অন্তর্দ্বন্দ্বের শিকার হতে পারেন হামজ়া।

Advertisement

২০০৫ সালে ভারতের বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে যে হামলা হয়েছিল, হামজ়া এবং আবু সইফুল্লাই ছিলেন মূল চক্রী। সেই ঘটনায় এক অধ্যাপকের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছিলেন চার জন। প্রসঙ্গত, গত বছরে পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজদের হাতে নিহত হন সইফুল্লা। গত চার বছরে পাকিস্তানে রহস্যময় ভাবে বহু জঙ্গিনেতার মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জইশ প্রধান মাসুদ আজ়হারের ভাই মহম্মদ তাহির আনোয়ার। গত মাসেই রহস্যজনক ভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। গত বছরের মার্চে হাফিজ় সইদের এক ঘনিষ্ঠ আবু কাতালও অজ্ঞাতপরিচয়দের হাতে খুন হন। ২০২৪ সালে শেখ জামিল উর রহমান নামে এক শীর্ষ জঙ্গিনেতার দেহ উদ্ধার হয় অ্যাবটাবাদে। ২০২৬ সালে পঠানকোট হামলার মূল চক্রী শাহিদ লতিফেরও দেহ উদ্ধার হয় ২০২৩ সালে পাকিস্তানের সিয়ালকোটে।

Pakistan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy