Advertisement
E-Paper

টেস্টোস্টেরন কমছিল, একাধিক যৌনরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন! এপস্টিনের মেডিক্যাল রিপোর্টে আর কোন কোন তথ্য প্রকাশ্যে

এপস্টিন এবং তাঁর চিকিৎসকদের সঙ্গে মধ্যে চালাচালি হওয়া কিছু মেল প্রকাশ্যে এসেছে। একটি মেল-এ দেখা যাচ্ছে, ‘ডক্টর ম্যাক্সম্যান’ বলে এক জন এপস্টিনকে যৌনাঙ্গবর্ধক ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। এমন পরামর্শ সংবলিত বহু মেলের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১৬
জেফ্রি এপস্টিন।

জেফ্রি এপস্টিন। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

এপস্টিন ফাইল নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। এই আবহে যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল। সেই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে এপস্টিন একাধিক যৌনরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁর শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রাও ক্রমশ কমছিল।

এপস্টিন এবং তাঁর চিকিৎসকদের সঙ্গে মধ্যে চালাচালি হওয়া কিছু মেল প্রকাশ্যে এসেছে। একটি মেল-এ দেখা যাচ্ছে, ‘ডক্টর ম্যাক্সম্যান’ বলে একজন এপস্টিনকে যৌনাঙ্গবর্ধক ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। এমন পরামর্শ সংবলিত বহু মেলের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। মেলগুলিতে এ-ও দেখা যাচ্ছে, যৌন উত্তেজনাবর্ধক ওষুধ খাওয়ার বিষয়ে যুবকদের কাছে আগ্রহপ্রকাশ করেছেন এপস্টিন।

এপস্টিনের মেডিক্যাল রিপোর্ট বলছে, শেষ কয়েক বছরে তাঁর শরীরে প্রতি ডেসিলিটারে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ ছিল ১২৫ থেকে ১৪২ ন্যানোগ্রাম। সাধারণ ভাবে একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে এর পরিমাণ হওয়া উচিত প্রতি ডেসিলিটারে ৩০০ ন্যানোগ্রাম। টেস্টোস্টেরন এবং যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন এপস্টিন। ২০১৫ সালে চিকিৎসকদের মেল করে এর সমাধানও চেয়েছিলেন। এক চিকিৎসক তাঁকে ক্লোমিডের মতো ওষুধ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়ে ২০১৬ সালেই এই ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন এপস্টিন।

এপস্টিন ফাইলে থাকা মেডিক্যাল রিপোর্টে এ-ও দেখা গিয়েছে, একাধিক যৌনরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন ওই যৌন অপরাধী। তাঁর মূত্রে রক্ত পাওয়া গিয়েছিল। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়েছিল সংক্রমণ।

শুক্রবার আমেরিকার বিচার দফতর এপস্টিন ফাইলের ৩০ লক্ষ পাতা প্রকাশ্যে এনেছে। তার মধ্যে রয়েছে ২০০০ ভিডিয়ো। ১ লক্ষ ৮০ হাজার ছবি। এর আগে প্রকাশিত ফাইলগুলোয় এপস্টাইনের সঙ্গেই দেখা গিয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনকে। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে গত নভেম্বরে এপস্টিন সংক্রান্ত ফাইল প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ২০০৮ সালে এপস্টাইনের বিরুদ্ধে নাবালিকা ধর্ষণ ও নিগ্রহের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। ২০১৯ সালের অগস্টে গ্রেফতারির মাসখানেকের মাথায় জেলেই আত্মহত্যা করেন তিনি।

Jeffrey Epstein Medical Report Testosteron
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy