সরকারের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত সাংবাদিক রোমান প্রোটাশেভিচকে গ্রেফতার করিয়ে তিনি ‘আইন-বিরুদ্ধ’ কিছু করেননি, বরং তা ‘দেশবাসীদের বাঁচাতে নৈতিক পদক্ষেপই ছিল’— বুধবার এমনটাই দাবি করলেন বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজ়ান্ডার লুকাশেঙ্কো। এই ঘটনা ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রায় গোটা বিশ্বের কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। বেলারুশের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। নিন্দায় সরব আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। নিন্দার মুখে পাল্টা সুর চড়িয়ে এ দিন লুকাশেঙ্কো বলেন, ‘‘দেশের বাইরে এবং ভিতরে আমাদের শত্রুরা বিভিন্ন ভাবে আমাদের উপর আঘাত আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যা করতে গিয়ে সব সীমাই অতিক্রম করে যাচ্ছে তারা।’’
রবিবার মাঝ আকাশ থেকে বিমান ঘুরিয়ে মিনস্ক বিমানবন্দরে এনে ওই সাংবাদিকের পাশাপাশি আটক করা হয় তাঁর বান্ধবী সোফিয়া সাপেগাকেও। মঙ্গলবার সোফিয়ার একটি ‘স্বীকারোক্তি’ ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে নেট মাধ্যমে।
যেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়,টেলিগ্রাম (একটি অ্যাপ) চ্যানেলে বেলারুশের এক পুলিশ অফিসারের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করে দেওয়া হয় (বেলারুশের আইনে যা অপরাধ) সেটির সম্পাদক তিনি। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে বলে দাবি লুকাশেঙ্কার বিরোধীদের। সোফিয়াকে সেখানে ভীষণই অস্বস্তিতে দেখা গিয়েছে।