Advertisement
১০ ডিসেম্বর ২০২২
rainfall

Rainfall: অতি বর্ষণে বিপর্যস্ত পাকিস্তান ও ইরান

বৃষ্টিতে পাকিস্তানে সব চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বালুচিস্তান প্রদেশ। বন্যা ও হড়পা বানে শুধুমাত্র ওই প্রদেশেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১২৭ জনের।

বালুচিস্তানের বন্যাকবলিত এলাকা থেকে সরানো হচ্ছে বাসিন্দাদের।

বালুচিস্তানের বন্যাকবলিত এলাকা থেকে সরানো হচ্ছে বাসিন্দাদের। ছবি রয়টার্স।

সংবাদ সংস্থা
ইসলামাবাদ ও তেহরান শেষ আপডেট: ০১ অগস্ট ২০২২ ০৭:৪৮
Share: Save:

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা অতিরিক্ত বর্ষণ ও হড়পা বানের জেরে বিধ্বস্ত পাকিস্তান ও ইরানের বিস্তীর্ণ অংশ। পাকিস্তানে বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত হওয়া নানা দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ৩২০ ছাপিয়েছে। অন্য দিকে, ইরানে প্রবল বর্ষণ আর হড়পা বানে এখনও পর্যন্ত ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজের সংখ্যা কমপক্ষে ১৬।

Advertisement

গত কয়েক সপ্তাহের বৃষ্টিতে পাকিস্তানে সব চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বালুচিস্তান প্রদেশ। বন্যা ও হড়পা বানে শুধুমাত্র ওই প্রদেশেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১২৭ জনের। মৃতদের মধ্যে ৪৬টি শিশু ও ৩২ জন মহিলা রয়েছেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ গত কালই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ফেডারেল ও প্রাদেশিক পর্যায়ে সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি। মৃতদের পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনপ্যাকেজ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন শরিফ।

পাক প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, শুধু বালুচিস্তানেই অন্তত ১৩ হাজার বাড়ি পুরোপুরি বা আংশিক ভেঙে গিয়েছে। সিন্ধু প্রদেশেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রচুর। করাচি শহরে বৃষ্টি সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন ৭০ জন। পঞ্জাব প্রদেশে মৃতের সংখ্যা অন্তত ৫০ এবং দুর্গম খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে মারা গিয়েছেন কমপক্ষে ৬০ জন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার জন্য পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যে রেল পরিষেবাও গত কয়েক সপ্তাহে ভীষণ ভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনিক আধিকারিকেরা।

প্রায় একই পরিস্থিতি ইরানেও। বছরের বেশির ভাগ সময়ে খরা দেখা যায় যেখানে, সেই সব এলাকা অতিবৃষ্টিতে এখন ভেসে গিয়েছে। আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনার জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকেই দায়ী করছেন পরিবেশবিদেরা।

Advertisement

সপ্তাহব্যাপী বৃষ্টিতে ইরানে ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে বহু বাড়ি। নিখোঁজের সংখ্যা অন্তত ১৬। বন্যা দুর্গতদের সব রকমের সাহায্য ও ত্রাণ দেওয়ার জন্য প্রাদেশিক গভর্নরদের নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসি।

একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রধান মেহদি ভালিপোর সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ৬৮৭টি উদ্ধারকারী দল দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযানে নেমেছেন। দলে রয়েছেন অন্তত ৩ হাজার কর্মী। বন্যায় ডুবে যাওয়া বাড়ি থেকে উদ্ধার করে ১৩০০ মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মূলত খরাপ্রবণ দেশ হলেও বছর তিনেক আগে দক্ষিণ ইরানে অতি বর্ষণ ও বন্যায় ৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ক্ষতি হয় ২০০ কোটি ডলারের সম্পত্তির। এ বারের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও পর্যন্ত হিসেব করে উঠতে পারেনি প্রশাসন।

আজই আবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে নেপালের একাংশ। সকাল সওয়া ৮টা নাগাদ কম্পন অনুভূত হয় খোটাং জেলায়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬। তবে বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। হতাহতের কোনও খবর নেই।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.